লক ডাউনের জেরে ওষুধ অমিল দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়

লক ডাউনের জেরে ওষুধ অমিল দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়

ওষুধ ছাড়া কিভাবে দিন চলবে তা বুঝে উঠতে পারছেন না অনেকেই।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউন শুরু হতেই শুরু হয়েছে ওষুধের সংকট। পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলির বেশির ভাগ এলাকাতেই প্রয়োজনের অনেক ওষুধ মিলছে না বলে অভিযোগ। অনেক জায়গা থেকেই উধাও সাধারণ জ্বর সর্দি-কাশির ওষুধও। জীবনদায়ী ওষুধ না পেয়ে হন্যে হয়ে ঘুরছেন অনেকে। আবার প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে ওষুধ খুঁজতে বেরিয়ে রাস্তায় পুলিশের নানান প্রশ্নেরও সামনে পড়তে হচ্ছে অনেককেই। ওষুধ ছাড়া কিভাবে দিন চলবে তা বুঝে উঠতে পারছেন না অনেকেই। অনেক রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন। ওষুধ না মেলায় দুশ্চিন্তায় তাদের পরিবারের সদস্যরা।

বর্ধমানের কার্জন গেটের পাশেই কল্যাণী মার্কেট। সেখানেই রয়েছে ওষুধের হোলসেল মার্কেট। এই বাজার থেকেই পূর্ব বর্ধমান জেলার সর্বত্র ওষুধ যায়। একই ভাবে হুগলির আরামবাগ মহকুমা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া,  বীরভূমের বহু ওষুধের দোকান এই বাজারের ওপর নির্ভরশীল। এখান থেকেই ওষুধ নিয়ে গিয়ে দোকানে দোকানে সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন অনেকে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাস ট্রেন ও অন্যান্য যান চলাচল বন্ধ। জনতা কারফিউ ও তার পর লক ডাউন শুরু হওয়ায় কেউ বর্ধমানের এই ওষুধের পাইকারি বাজারে আসতে পারছেন না। ফলে বর্ধমান শহরের বাইরে শয়ে শয়ে ওষুধের দোকানে প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সেই সব এলাকার বাসিন্দারা ঘরের কাছের বাজারের দোকানে ওষুধ পাচ্ছেন না। তার ওপর একুশ দিনের লক ডাউনের খবর শুনেই অনেকে বাড়িতে জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যার ওষুধ বেশি করে বাড়িতে মজুত করেছেন। সে কারণেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

ওষুধের পাইকারি বাজার খোলা থাকলেও সেখানেও কর্মীদের উপস্থিতি খুব কম। অনেকেই যান বাহন না চলায় সেই মার্কেটে যেতে পারছেন না। অনেকে আবার করোনা মোকাবিলায় নিজের ইচ্ছেয় কিংবা পরিবারের অন্যান্যদের পরামর্শে বাড়ির বাইরে পা দিচ্ছেন না। বাসিন্দারা বলছেন, লক ডাউনের শুরুতেই যদি ওষুধের এই সমস্যা হয় তা হলে আগামী দিন পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।

Saradindu Ghosh

First published: March 25, 2020, 7:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर