corona virus btn
corona virus btn
Loading

মালদহ শহরের রাস্তায় মাস্ক ছাড়ায় দিব্যি ঘুরছেন অনেকেই, পুলিশ ধরলেই নানা অজুহাত

মালদহ শহরের রাস্তায় মাস্ক ছাড়ায় দিব্যি ঘুরছেন অনেকেই, পুলিশ ধরলেই নানা অজুহাত

কেউ বললেন দুই ঘণ্টার বেশি মাস্ক পড়া যায় না বলে বাড়িতে ধুয়ে শুকাতে দিয়েছেন। আবার কারও সাফাই মাস্ক থেকে গিয়েছে বাড়িতেই।

  • Share this:

#মালদহ:-এখনও মালদা শহরে অনেকেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন মাস্ক ছাড়াই। মাস্ক না পড়ার কারণ হিসেবে নানা রকমের অজুহাত দিচ্ছেন রাস্তায় বেরোনো মানুষজন। অনেকে আবার মাস্ক ছাড়া ধরা পড়ে চারচাকা গাড়ি থেকে নেমে ছুটলেন রাস্তায় মাস্ক এর দোকানে। মাস্ক ছাড়া লোকজনকে ধরপাকড়, বাড়িও ফেরাল পুলিশ। মাক্স না পড়ার কারণ হিসেবে কী অজুহাত দিচ্ছেন মানুষজন, ধরা পড়ল নিউজ ১৮ বাংলার ক্যামেরায়।

পেশায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট্যান্ট মোটরবাইকে দিব্যি যাচ্ছিলেন। কিন্তু, মালদহ শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় পথ আটকায় পুলিশ । মাস্ক  না পড়ার কারণ জানতে চাইলে সেটার জবাব দিলেন নাকে অ্যালার্জিরসমস্যা রয়েছে , তাই মাক্স না পড়েই রাস্তায় বেরিয়েছেন। কিন্তু নূন্যতম রুমাল বা কাপড় দেননি কেন? তাঁর জবাব চলন্ত গাড়িতে রুমাল খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।মালদহ শহরের রাস্তায় বিলাসবহুল গাড়িতে পরিবারসহ পাওয়া গেল সামসীর বাসিন্দা পারভেজ সাহেবকে । লকডাউন থাকায় গাড়ির পথ আটকায় ট্রাফিক পুলিশ। পুলিশ আর ক্যামেরা দেখেই গাড়ি থেকে নেমে সটান দৌড় লাগালেন তিনি ।গন্তব্য ফুটপাতের মাস্কের দোকান।

বুধবার মালদা শহরের রাস্তায় এমন আরো অনেককে দেখা গেল যারা ইচ্ছেমতো মাস্ক  ছাড়াই বেরিয়ে পড়েছেন রাস্তায়। কেউ বললেন দুই ঘণ্টার বেশি মাস্ক পড়া যায় না বলে বাড়িতে ধুয়ে শুকাতে দিয়েছেন। আবার কারও সাফাই মাস্ক  থেকে গিয়েছে বাড়িতেই।এদিন সকাল থেকে মালদা শহরের রাস্তায় মাস্ক  বিহীন লোকজনের ধরপাকড় এবং সচেতন করার কাজে নামে পুলিশ।

মাস্ক ছাড়া যাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছেন তাঁদেরকে ধমক দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরমধ্যেই  অযথা তর্ক করা আটক করা হয় কয়েকজনকে। লকডাউন পরিস্থিতিতে মাস্ক  ছাড়া বাইরে বেরোনো নিষিদ্ধ বলে সরকার ঘোষনা করার পরেও এখনো হুঁশ ফিরছে না অনেকেরই। শুধু সাধারণ গরীব বা মধ্যবিত্তদের মধ্যেই নয়, অভিজাত এমনকি তথাকথিত শিক্ষিত শ্রেণীর মানুষের একাংশের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে এমনই বিপদজনক প্রবণতা।

Sebak Deb Sharma

First published: April 22, 2020, 11:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर