• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ‘সকলের তরে সকলে আমরা’ লকডাউনে আটকে থাকা অন্য রাজ্যের মানুষদের মুখে ভাত তুলে দিচ্ছেন ‘ওঁরা’

‘সকলের তরে সকলে আমরা’ লকডাউনে আটকে থাকা অন্য রাজ্যের মানুষদের মুখে ভাত তুলে দিচ্ছেন ‘ওঁরা’

শুধু বইয়ে পড়া লাইন করে রাখেননি, নিজেদের মানবিকতা দিয়ে তা ব্যবহার করে দেখাচ্ছেন

শুধু বইয়ে পড়া লাইন করে রাখেননি, নিজেদের মানবিকতা দিয়ে তা ব্যবহার করে দেখাচ্ছেন

শুধু বইয়ে পড়া লাইন করে রাখেননি, নিজেদের মানবিকতা দিয়ে তা ব্যবহার করে দেখাচ্ছেন

  • Share this:

#কলকাতা: বছরের বেশিভাগ সময়ই ওরা-আমরা লড়াই চলে, অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের প্রতি দৃষ্টি থাকে প্রতি মুহূর্তে।  ওরা রোজ আসে, রোজ যায়। কেউ খবর নিত না, নাম ছিল অজানা। এখন ওরা কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স এলাকার খুব পরিচিত।  তাদের বাড়ির ঠিকানা হয় বিহার নয় ওড়িশা।

লকডাউনের আগে কর্মসূত্রে ট্রাক নিয়ে এরাজ্যের লেদার কমপ্লেক্স এলাকায় আসেছিলেন। নিজেদের অজান্তেই আটকে পড়েন প্রায় পাঁচশো জন। লকডাউনের প্রথম দিন তাদের কাছে সঙ্গী হয় শুধুই হতাশা। পকেটে টাকা নেই দোকান খোলা, আছে গাড়ি যাবার উপায় নেই। কি খাবেন? কী পড়বেন? কীভাবে থাকবেন? হাজারো প্রশ্ন প্রথম দিনেই ভিড় করে। প্রথম এক সপ্তাহ খুব খারাপ ভাবে কাটলেও হঠাৎ তাদের সুখ-দুঃখের খবর নিতে আছেন প্রবীর কর্মকার, সনাতনের মত ব্যাক্তিরা।

ভিন রাজ্যের বাসিন্দাদের প্রথমে বিশ্বাস না হলেও পরে বুঝতে পারেন ওরাই এখন তাদের খাদ্যের অভাব পূরন করতর পারে। তাদের কাছে সবচেয়ে আক্ষেপ ছিল সরকারিভাবে চাল-ডাল এরাজ্যে মিললেও ভিন রাজ্যের বাসিন্দা বলে তারা বাদ পড়েছেন।  পরে তাদের খাদ্যের সন্ধান পেয়ে বেজায় খুশি ওরা। সকালে কোন দিন ভাত-তরকারি,  কোন দিন খিচুড়ি। এইভাবেই প্রায় পাঁচশো জনের পেটের জ্বালা মেটাচ্ছেন পঞ্চাশ জন। অর্থের যোগান নিয়ে প্রথমে একটু দ্বিধা থাকলেও এখন তাদের অর্থের অভাব হয় না। প্রবীর কর্মকার জানান, ভিন রাজ্যের মানুষ হলেও ওদের কষ্ট দেখে খারাপ লাগে, তাই পাশে থাকার চেষ্টা মাত্র। মনোবিদদের মতে, করোনায় আমাদের নতুন অনেক অভিজ্ঞতার মধ্যেই এক সঙ্গে থাকার অভিজ্ঞতা মধুর। এই উদ্দেশ্য যাতে আরও বেশ কিছুদিন চলে তার জন্য নিজেদের মধ্যে চাঁদা উঠঠে জোর কদমে।

Susovan Bhattacharjee

Published by:Debalina Datta
First published: