corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনেও 'ডোন্ট কেয়ার', কলকাতার অতি বিপজ্জনক এলাকায় অবাধে ঘুরছে মানুষ

মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনেও 'ডোন্ট কেয়ার', কলকাতার অতি বিপজ্জনক এলাকায় অবাধে ঘুরছে মানুষ
কোনও নিষেধাজ্ঞাই মানছেন না ওঁরা। নিজস্ব চিত্র

সোমবারই গ্রিন, অরেঞ্জ এবং রেড জোন হিসেবে ভাগ করে রাজ্য সরকার লকডাউনের যে প্রস্তুতি নিয়েছে তাতে সাধারণ মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী লকডাউনের নিয়মাবলী মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: সোমবারই রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতার ২২৭টি এলাকাকে 'কন্টেনমেন্ট জোন' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকা গুলির মধ্যে অন্যতম বি কে পাল এভিনিউ, বেনিয়াটোলা স্ট্রিট। তবে সংক্রামিত অঞ্চল হিসেবে এই এলাকার উল্লেখ থাকলেও এখানে যে মানুষ এখনও  সচেতন নয় সে ছবিই  ধরা পড়ছে বারবার। মঙ্গলবার সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, ভিড় থিক থিক  করছে। রাস্তার দু'পাশে বসেছে বাজারহাট। বিক্ষিপ্তভাবে খুলেছে দোকানও। সরকারি নির্দেশিকাকে  বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক দূরত্বকে না মেনেই চলছে বিকিকিনি। অনেকের আবার মুখে মাস্কও  নেই। চোখে পড়ল না পুলিশের  নজরদারি। নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে বাজার করার কথা। সেই প্রাথমিক নির্দেশটাকেও পাত্তা দিতে চাইছেন না কেউ কেউ।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করে নানা ধরনের প্রচারেও হাটে বাজারে ভিড়ের সেই চেনা ছবির কোনও  বদল হচ্ছে না। সুরক্ষার প্রশ্নে  'সংক্রামিত জোন' গুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশকে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে নবান্নের তরফে। কোনও  অবস্থাতেই  বাজারে গাদাগাদি করে মানুষজনের  উপস্থিতি আর বরদাস্ত করা হবে না, এই নির্দেশ দিয়ে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন খোদ রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাগরিকদের  যে এখনও অনেকেরই বেপরোয়া মনোভাব অটুট সেই ছবিই  সামনে এল কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে।লকডাউনকে উপেক্ষা করার পাশাপাশি সরকারের তরফ থেকে ফেস কভার বা মাস্ক মাস্ট করা হলেও অনেকেই আজও বেপরোয়া। বিভিন্ন ভাবে সরকারি স্তরে সচেতনতামূলক প্রচার চলেছে এই ক'দিন ন্যূনতম বিধিনিষেধগুলি মেনে চলার জন্যে পুলিশের পক্ষ থেকেও মাইকিং করা হয়েছে। তবু আইন ভাঙাটাই এখন আইন হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের কাছেই। করোনার কোপ।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে  নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কেন্দ্রের কাছ থেকে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করে জানতে চেয়েছে রাজ্য সরকার ৷ উত্তর না এলে  নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর আগামী  বুধবার লকডাউনের মেয়াদ বা করোনা ঠেকাতে ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আরও সুস্পষ্টভাবে জানানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "একদিকে লকডাউন পালন করা আর অন্যদিকে বাজার খুলে দেওয়ার ষে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে,  এটা কার্যকর  হতে পারে না। তাই মঙ্গলবারের  মধ্যে যদি কেন্দ্রের তরফ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনও  উত্তর না আসে তাহলে আমরা বুধবারই রাজ্যের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী  হবে তা রাজ্যবাসীকে জানাব।"

তবে আগামী ২১মে পর্যন্ত যে কার্যত লকডাউন এরাজ্যে শিথিল করার কোন সম্ভাবনা নেই সে কথাও স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং গ্রিন, অরেঞ্জ এবং রেড জোন হিসেবে ভাগ করে রাজ্য সরকার লকডাউনের  যে প্রস্তুতি নিয়েছে তাতে সাধারণ মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী লকডাউনের  নিয়মাবলী মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন। তবে সংক্রমণ বেড়ে চললেও লকডাউন মানার প্রসঙ্গে ভিড়ে যে অনেক জায়গাতেই  বাঁধ দেওয়া এখনও  যাচ্ছে না  তা  বি কে পাল অ্যাভিনিউ কিংবা বেনিয়াটোলা স্ট্রিটের মত কলকাতার  কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন মহল্লায় ঘুরলেই মালুম হচ্ছে।

Published by: Arka Deb
First published: April 28, 2020, 3:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर