করোনার জেরে শহরে দুধও মিলছে না সময়ে 

করোনার জেরে শহরে দুধও মিলছে না সময়ে 

শহরের বিভিন্ন ডিপোতে আজ, মঙ্গলবার দুধের গাড়ি পৌঁছতে পারেনি সময় মত।

  • Share this:

#কলকাতা: 'লক ডাউন'-এর প্রথম দিন জরুরী পরিষেবায় কিছুটা হলেও প্রভাব লক্ষ্য গেল কলকাতায়। বিশেষ করে দুধের জোগানের ক্ষেত্রে। শহরের বিভিন্ন ডিপোতে আজ, মঙ্গলবার দুধের গাড়ি পৌঁছতে পারেনি সময় মত।

করোনা ভাইরাসের জেরে লক ডাউন কলকাতা। সরকারের পক্ষ থেকে বাড়ি থেকে না বেরোনোর অনুরোধ করা হয়েছে নাগরিকদের। চারিদিকে যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতি। এর মধ্যেও ছাড় দেওয়া হয়েছে কিছু অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী ক্ষেত্রে। তার মধ্যে অন্যতম হল দুধ।

শহরের একাধিক দুধের ডিপো ঘুরে দেখা গেল করোনা ভাইরাসের প্রভাব ভালোই পড়েছে এই অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর ক্ষেত্রে। বেশির ভাগ ডিপোতে এদিন সকালে প্যাকেটর দুধ পৌঁছাতে পারেনি। স্বাভাবিক ভাবেই দুধ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে ক্রেতাদের। প্রতি দিনের মত এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ রামদুলাল সরকার স্ট্রিটের বাসিন্দা প্রবীর কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দুধ কিনতে এসেছিলেন হেদুয়ার মাদার ডেয়ারির ডিপোতে। এসে দেখেন প্যাকেটর দুধ নেই। খোলা দুধ রয়েছে ডিপোতে। কিন্তু সেই দুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার মতো কিছু না থাকায় বাধ্য হন ফিরে যেতে। কালিন্দী মাদার ডেয়ারি ডিপোর রাজীব দাস বলেন, 'কখন দুধ আসবে জানি না। তবে শুনেছি বেলা 12টার পর আসতে পারে।' তিনি আরও জানান, 'এই ডিপোতে সাধারণত একটু বেলার দিকে দুধ আসে। পরের দিন সকালে তাই দুধ পেতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু সোমবার এক এক জন চার পাঁচ প্যাকেট করে দুধ নিয়ে গেছে। তাই আজ অমিল।'

আমহার্স্ট স্ট্রিটের মাদার ডেয়ারি ডিপোর বিক্রেতা সন্তোষ হালদারও বলেন, 'মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি করে কিনে নিয়ে যাচ্ছে।'

এদিকে টান পড়েছে বেকারির জোগানেও। দীর্ঘদিন ধরে বেলেঘাটা অঞ্চল বেকারির সামগ্রী সরবরাহ করে থাকেন রাজু সিং। কিন্তু রাসমণি বাজারে একটি দোকানের সামনে দাঁড়াতেই উপস্থিত লোকজন কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁর গাড়ির ওপর। পাউরুটি, কেক, বিস্কুট... যে যতটা পারল কিনে নিল সেখানেই। ফলে দোকানে দেওয়ার মত বেশি কিছু অবশিষ্ট থাকল না রাজু সিংয়ের কাছে। তিনি বলেন, 'এমনিতেই মাল কম তৈরি কম হচ্ছে। তারপর যেভাবে লোকজন কিনছে তাতে কি হবে বুঝতে পারছি না।'

Soujan Mondal

First published: March 24, 2020, 4:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर