• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পার্কসার্কাস ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তার করোনা আক্রান্ত ! আতঙ্কে চিকিৎসকরা

পার্কসার্কাস ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তার করোনা আক্রান্ত ! আতঙ্কে চিকিৎসকরা

গত ৩ এপ্রিল থেকে পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি বা জুনিয়র ডাক্তার জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছিলেন।

গত ৩ এপ্রিল থেকে পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি বা জুনিয়র ডাক্তার জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছিলেন।

গত ৩ এপ্রিল থেকে পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি বা জুনিয়র ডাক্তার জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছিলেন।

  • Share this:

#কলকাতা: বিশ্বজুড়ে মারণ অতি মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাসের থাবা বেড়েই চলেছে। চিকিৎসক,নার্স,স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসক-নার্সদের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া এমনকিী,মৃত্যুও হচ্ছে অনেকের। তবু লড়াই থেমে থাকেনি। ভারতবর্ষেও করোনা ভাইরাসের থাবায় প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন গোটা দেশে ১১ হাজারের বেশি মানুষ। এদেশে এখনও পর্যন্ত তিন জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। পশ্চিমবঙ্গে ও করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা।

গত ৩ এপ্রিল থেকে পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি বা জুনিয়র ডাক্তার জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছিলেন। করোনা আক্রান্ত সন্দেহে তাঁকে টালিগঞ্জ এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার লালা রসের নমুনা পাঠানো হয়েছিল এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এই ঘটনার পরই ন্যাশনাল মেডিকেল-এর ১২ জন জুনিয়র ডাক্তারকে কোয়ারেন্টাইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিন্টো পার্কের বেসরকারি হাসপাতাল বেলভিউ হাসপাতালের এক বর্ষীয়ান অর্থোপেডিক সার্জন করোনা আক্রান্ত হন। তাকে বেলভিউ থেকে সল্টলেক আমরি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

রাজ্যে প্রথম আলিপুর কমান্ড হাসপাতালের এক চিকিৎসক যিনি লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার তিনি প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। এরপর তার সংস্পর্শে এসে তার স্ত্রী,পুত্র,কন্যা এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক করোনা আক্রান্ত হয়। এরপর হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার খোদ করোনা আক্রান্ত হয়ে টালিগঞ্জ এম আর বাঙুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। অন্যদিকে দমদম নাগেরবাজার এর একটি বেসরকারি হাসপাতালের  চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়। এখানেই শেষ নয় উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের এক জুনিয়ার ডাক্তার করোনা আক্রান্ত হন। দক্ষিণ কলকাতার এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী কে চিকিৎসা করার পর সেই কর্মী করোনা আক্রান্ত হন। তারপর এই ল্যান্সডাউন এর রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান বা শিশুমঙ্গল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকের শরীরে কোন ধরা পড়ে।

রবিবার ভিআইপি রোড চিনার পার্ক এ চার্নক হাসপাতালের রোগীদের ডায়ালাইসিস করার পরে তার করোনা ধরা পড়ে। এরপর আরও বেশ কয়েকজন এর ধরা পড়ে করোনা। ওই হাসপাতালের এক চিকিৎসকের সোমবার করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায় এরপর মঙ্গলবার আরো এক চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হন। সোমবার হাওড়া জেলা হাসপাতালে এক চিকিৎসকের শরীরে করোনা থাবা বসায়। রাজ্যে এখনো পর্যন্ত মোট ৯ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে দমদম নাগেরবাজার এর বেসরকারি হাসপাতালে এক মেট্রন প্রথমে করোনা আক্রান্ত হন।এরপর হাওড়া বালটিকুরী ইএসআই হাসপাতালে নার্স আক্রান্ত হন তার স্বামী ও পরবর্তীতে আক্রান্ত হয়। হাওড়া জেলা হাসপাতালের এক সাফাই কর্মীও করোনা আক্রান্ত হন। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের একজন নার্স করোনা আক্রান্ত হন। রবিবার চার্নক হাসপাতালে ফ্লোর ম্যানেজার সহ তিন স্বাস্থ্যকর্মীও করোনা আক্রান্ত হন। অন্যদিকে হাওড়া জয়সওয়াল হাসপাতালে এক নার্সের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

কাজেই করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে প্রথম থেকে চিহ্নিত হওয়া কেন্দ্রীয় সংস্থা বেলেঘাটা নাই সেড এর এক মহিলা ল্যাব টেকনিশিয়ান তিনিও করোনা আক্রান্ত হন। হলে গোটা রাজ্যে মোট ১২ জন নার্স,স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে তাদের চিকিৎসা চলছে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম, সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম, অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিসেস ডক্টরস সহ বিভিন্ন চিকিৎসকদের সংগঠন এবং নার্সদের কয়েকটি সংগঠন যেভাবে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতাল গুলোতে কাজ করতে হচ্ছে তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারের অদূরদর্শিতার জন্য চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন বলে তারা অবিলম্বে এদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

Abhijit Chanda

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: