corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোথায় মানবিকতা?‌ ফের রাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মীকে ভাড়া বাড়ি ছাড়তে চাপ দেওয়ার অভিযোগ

কোথায় মানবিকতা?‌ ফের রাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মীকে ভাড়া বাড়ি ছাড়তে চাপ দেওয়ার অভিযোগ
ছবি প্রতিকী

বাড়ির মালিক তাঁর ঘরের জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমনকি দুপুরের পরে বিদ্যুতের কানেকশনও কেটে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন প্রিয়া।

  • Share this:

#‌ধূপগুড়ি:‌ সরকারের অনুরোধেও কাজ হচ্ছে না। হুঁশ ফিরছে না মানুষের, দেখা দিচ্ছে না মানবিকতাও। না হলে আবারও স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্থার মুখে দাঁড়াতে হয়?‌ কিন্তু বাস্তবে অনেক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়িতে। অভিযোগ, এক অসুস্থ স্বাস্থ্যকর্মীকে বাড়ি ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বাড়ির মালিক। আর সেই কারণেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধূপগুড়িতেতে। শোনা যাচ্ছে, অসুস্থ স্বাস্থ্যকর্মী চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, আর তাই আতঙ্কে রয়েছেন বাড়ির মালকিন। আর সেই অকারণ আতঙ্কে বাড়িতে থাকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এমনটাই অভিযোগ ধূপগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজি পাড়া এলাকায় ভাড়াটে স্বাস্থ্যকর্মী প্রিয়া দাসের।

বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রিয়া কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিসট পদে। তাঁর স্বামী উজ্জ্বল বসাক, তিনি পেশায় ওষুধ সরঞ্জাম সরবরাহকারী। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজি পাড়ার চন্দনা মুস্তাফির বাড়িতে তাঁরা ভাড়া থাকেন। ক’‌দিন আগেও সব স্বাভাবিক ছিল। গত ২৩ এপ্রিল তিনি পেটের যন্ত্রনায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানেই গলব্লাডার অপারেশন হয় তার। এর পর তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসারত থাকেন তিনি। এরপরে ছুটি নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। এর পরেই সমস্যার সূত্রপাত।

বাড়িতে ফিরে আসার পর বাড়ির মালিক চন্দনা মুস্তাফি ও তাঁর পুজা মুস্তাফি জানিয়ে দেন যে বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসারত থাকায় তার শরীরে অন্য কোনো ভাইরাস আসতে পারে। এমনকি তিনি নিয়মিত হাসপাতালে ডিউটি করছেন। এই অভিযোগে তাঁকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলা হয় বলে অভিযোগ করেন প্রিয়া দাস। সেই নিয়ে বিবাদের মধ্যেই প্রিয়াকে ফাঁপড়ে ফেলতে বাড়ির মালিক তাঁর ঘরের জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমনকি দুপুরের পরে বিদ্যুতের কানেকশনও কেটে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন প্রিয়া।

মঙ্গলবার অসহায় হয়ে পড়েন এই স্বাস্থ্যকর্মী। একদিকে লকডাউন চলছে তার মধ্যে বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি ছাড়বার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রিয়া। এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই ধূপগুড়ি থানা, পৌরসভা এবং জলপাইগুড়ি জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিককে লিখিত আকারে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্যকর্মী। অন্ধকারে আড়াই বছরের শিশুকে নিয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: April 28, 2020, 9:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर