• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পথ দেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ড, করোনায় মৃত মাত্র ১, কোন পথে এল জয়

পথ দেখাচ্ছে নিউজিল্যান্ড, করোনায় মৃত মাত্র ১, কোন পথে এল জয়

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডেন। তাঁর হাত ধরেই যুদ্ধজয়।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডেন। তাঁর হাত ধরেই যুদ্ধজয়।

গত দু'সপ্তাহ ধরে লকডাউন ছিলই, এখন তা আরও জোরদার হয়েছে। প্রতিটি সীমান্ত সিল করা। যারা বিদেশ নিজের দেশে থেকে সদ্য ফিরেছেন তাঁরা দু সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন বাধ্যতামূলক ভাবে। বিদেশি অতিথিদেরও এই দেশে অনুপ্রবেশ নিষেধ।

  • Share this:

    সারা পৃথিবীতে ঝড়ের বেগে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৮ ৮ হাজার ৫৮৩ জনের। আক্রান্ত একমাত্র ১৪ লক্ষ৮৪ হাজার ৮১১ জন। সংক্রমণের ভয়ে যখন গোটা পৃথিবীটা থরথর করে কাঁপছে তখন সবচেয়ে স্বস্তি রয়েছে সম্ভবত নিউজিল্যান্ড। কারণ এখনও পর্যন্ত সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের।

    স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, করোনা কি নিউজিল্যান্ডে আচড় কাটতে পারেনি? উত্তরটা হল, না। করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে নিউজিল্যান্ডে। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, নিউজিল্যান্ডে এখনও আক্রান্ত ১২৩৯ জন। গত বৃহস্পতিবারই নতুন করে ২৯ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া দিয়েছে ওই দেশে। কিন্তু ৫০ লক্ষ নাগরিকের এই দেশে সংক্রমণের গতি উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। মৃত্যু হয়েছে শুধুই একজনের।

    এই অবস্থায় করোনা রুখতে নিউজিল্যান্ডের মডেলকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডেন বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণেও বলেছেন, " আমাদের পরিকল্পনা সাফল্য পাচ্ছে।" কী সেই পরিকল্পনা? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্য দেশ হলে এই সময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করত। যেমন ডেনমার্কে ৫৫৯৭ জন করোনা আক্রান্ত। কিন্তু সংক্রমণের হার কমায় লকডাউন আংশিক ভাবে খুলে গিয়েছে সেই দেশে। এর ঠিক উল্টো কাজটাই করছেন নিউজিল্যান্ড।

    গত দু'সপ্তাহ ধরে লকডাউন ছিলই, এখন তা আরও জোরদার হয়েছে। প্রতিটি সীমান্ত সিল করা। যারা বিদেশ নিজের দেশে থেকে সদ্য ফিরেছেন তাঁরা দু সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন বাধ্যতামূলক ভাবে। বিদেশি অতিথিদেরও এই দেশে অনুপ্রবেশ নিষেধ। আরডেনের কথায়, আমরা অর্ধেক পথ পেরিয়েছি। এটা একটা ম্যারাথন। বাকি পথটাও অতিক্রম করব। আর্ডেনের এই আত্মবিশ্বাস সাহস জোগাচ্ছে গোটা বিশ্বের।

    Published by:Arka Deb
    First published: