corona virus btn
corona virus btn
Loading

আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে বর্ধমানে, উদ্বেগে বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন না বাসিন্দারা

আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে বর্ধমানে, উদ্বেগে বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন না বাসিন্দারা

বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরনোর প্রবণতা অনেকটাই কমেছে। রবিবারের বাজারেও তুলনামূলক কম ভিড় দেখা গেল।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: করোনার সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়ছে বর্ধমান শহরে।  বর্ধমানের সুভাষপল্লী এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলায় সেই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।  সেই এলাকার বাসিন্দারা এখন কার্যত গৃহবন্দি। রাস্তায় বের হচ্ছেন না কোনও বাসিন্দাই। বহিরাগতদের জন্যও এখন ওই এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বর্ধমান শহরের বাকি এলাকাগুলিতেও। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরনোর প্রবণতা অনেকটাই কমেছে। রবিবারের বাজারেও তুলনামূলক কম ভিড় দেখা গেল। ওই এলাকা জীবাণুমুক্ত করার কাজ চালাচ্ছে দমকল দফতরের কর্মীরা। পিপিই কিট পরে বিশেষ সাবধানতার সঙ্গে তাঁরা এলাকার বাড়ি ঘর রাস্তা জীবাণুমুক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচ দিন আগে সুভাষপল্লী এলাকায় এক নার্সের শরীরে কোরোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। কলকাতার হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন ওই নার্স। বাড়ি আসার পর তিনি অসুস্থ বোধ করায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানেই তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর তাঁর নমুনা পজেটিভ মেলায় ওই নার্সকে দুর্গাপুরের কোভিড থ্রি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর স্বামী, দুই সন্তান, শাশুড়িসহ বেশ কয়েকজনকে কোয়ান্টায়ন সেন্টারে রেখে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখা হচ্ছে।

করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লেও এলাকা জীবাণুমুক্ত করার কাজ না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল বাসিন্দাদের মধ্যে। শুক্রবার ওই এলাকার জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু করে বর্ধমান পৌরসভা। শনিবার থেকে ওই এলাকা জীবাণুমুক্ত করছে দমকল দফতর। তবে এখনও বিদ্যুৎ দফতরের দুটি অফিস জীবাণুমুক্ত করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। আক্রান্ত নার্সের স্বামী বিদ্যুৎ দফতরে কাজ করেন। সে কারণে তাঁর ওই দুই অফিসে যাতায়াত ছিল। নার্সের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকে বিদ্যুৎ দফতরের ওই দু’টি অফিস তালা বন্ধ রয়েছে। তবে ওই মহিলার সংস্পর্শে আসা পরিবারের সদস্যদের রিপোর্ট জানতে উদগ্রীব শহরের বাসিন্দারা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়েছে।  এখনও  পর্যন্ত রিপোর্ট আসেনি।

Published by: Bangla Editor
First published: May 10, 2020, 11:10 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर