• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু চিকিৎসকের !

পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু চিকিৎসকের !

বৃহস্পতিবার বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের কোভিড হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের কোভিড হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের কোভিড হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা সম্পর্কে নিয়মিত বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাসিন্দাদের সচেতন করতেন তিনি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্কে মুখ ঢাকা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা- সব ব্যাপারেই বাসিন্দাদের বারে বারে সচেতন করতেন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চাশোর্ধ চিকিৎসক অনুপ কুমার ঘোষ। কর্তব্যনিষ্ঠা সেই চিকিৎসক প্রাণ হারালেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের কোভিড হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

চিকিৎসক অনুপ কুমার ঘোষ সপরিবারে থাকতেন বর্ধমান শহরে। স্ত্রী ছেলের সঙ্গে থাকতেন তিনি। তাঁর আদি বাড়ি জামালপুরের আঝাপুরের ভেরিলি গ্রামে। তিনি জামালপুর দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নিয়মিত পঞ্চায়েতের অফিসে রোগী দেখেছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত কাজ করেছিলেন ওই চিকিৎসক। গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষকে করোনা সম্পর্কে সচেতনও করতেন তিনি।

পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন। তবে এ ব্যাপারে পরিবারের লোকজন বা পঞ্চায়েতের কর্মী কাউকেই বিশেষ কিছু জানান নি। বুধবার বর্ধমানে তিনি করোনা পরীক্ষা করান। তাতেই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিল। এরপরই তিনি বর্ধমানের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সরাসরি সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসার কারণে এই জেলায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার পর তাঁরা সুস্থ হয়ে ফের কাজে যোগ দিয়েছেন। মৃত চিকিৎসকের সংস্পর্শে কারা কারা এসেছিলেন তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাঁদের হোম আইসোলেশনে রেখে করোনা পরীক্ষা করানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।  জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পরামর্শ, করোনার সংক্রমণ আগের তুলনায় কমলেও এখনও জেলার সব প্রান্ত থেকেই সংক্রমণের হদিশ মিলছে। তাই এই সময় যত বেশি সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: