corona virus btn
corona virus btn
Loading

দাহ করে আসার পরদিন আত্মীয় পরিজনরা জানলেন মৃত বৃদ্ধা ছিলেন করোনা পজিটিভ!

দাহ করে আসার পরদিন আত্মীয় পরিজনরা জানলেন মৃত বৃদ্ধা ছিলেন করোনা পজিটিভ!
Photo- Representative

আতঙ্ক কালনায়, যে সব ব্যক্তি মৃতদেহের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কোভিড পরীক্ষা করানো হয়েছে।

  • Share this:

#কালনা: মৃতদেহ দাহ করার একদিন পর জানা গেল রোগী ছিল  করোনা পজিটিভ! সেই খবর চাউর হতেই চাঞ্চল্য ছড়ালো কালনায়। আতঙ্কিত শবদাহের কাজে অংশ নেওয়া বাসিন্দা ও তাদের আত্মীয় পরিজনরা। তাদের প্রত্যেককেই এখন হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সবার লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ব্যবস্থা হচ্ছে। রিপোর্ট আসার আগেই হাসপাতাল কিভাবে মৃতদেহ ছেড়ে দিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

 কালনার পূর্ব সাতগাছিয়ার মাঝের পাড়ার পঁচাত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধা বয়সজনিত নানান সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রবিবার সেখানে তিনি মারা যান। পরিবারের সদস্যদের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয়। আত্মীয় পরিজন পাড়া প্রতিবেশীরা রবিবারই কালনা শ্মশানে মৃতদেহ দাহ করে বাড়ি ফেরেন। এতদূর পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু গোল বাঁধে পরদিন। সোমবার ওই বৃদ্ধার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসতেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বৃদ্ধা করোনা পজিটিভ ছিলেন বলে খবর যায় পরিবারে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলেই। কারা কারা মৃতদেহের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কনট্যাক্টে এসেছিলেন সেই খোঁজ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাইশ জনকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাদের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও আর কারা কারা বৃদ্ধার সংস্পর্শে এসেছিলেন তা জানার চেষ্টা চলছে।

মৃত্যুর পর ওই বৃদ্ধার লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। করোনা পরীক্ষার সেই রিপোর্ট আসার আগেই মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নিয়ম মতো, করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে তার দেহ পরিবারের হাতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসন অতি সাবধানতার সঙ্গে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেই দেহ সৎকার করছে। কারণ সেই করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশংকা প্রবল। এক্ষেত্রে সেই রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা না করে মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ায় তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এজন্য হাসপাতালের গাফিলতিকেই দায়ি করছেন অনেকেই।

যদিও গাফিলতির কথা মানতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কালনা মহকুমা হাসপাতালের  সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বড়াই জানান,ওই রোগিনীর দেহে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। তবুও নিয়ম মেনে মৃতদেহ থেকে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। কোনও রকম উপসর্গ না থাকায় মৃতদেহ ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।রিপোর্ট আসার সাথে সাথেই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।যে সব ব্যক্তি মৃতদেহের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কোভিড পরীক্ষা করানো হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: August 11, 2020, 4:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर