corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সন্দেহে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাসিন্দার সংখ্যা বাড়ল কয়েক হাজার!

করোনা সন্দেহে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাসিন্দার সংখ্যা বাড়ল কয়েক হাজার!

দিন দিন হোম কোয়ারান্টিনে থাকা পুরুষ মহিলার সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পুরুষ মহিলার সংখ্যা বাড়লো। তবে নতুন করে কাউকে করোনা পরীক্ষার জন্য কলকাতা পাঠাতে হয়নি। বুধবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১ জন ও কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল থেকে ১ জনকে কলকাতা পাঠানো হয়েছিল। শারীরিক পরীক্ষার পর এদিনও নতুন করে বেশ কয়েক জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বর্ধমান রেল স্টেশন, উল্লাস ও নবাবহাট বাসস্ট্যান্ড, কালনা ও কাটোয়ায় থার্মাল স্ক্রিনিং অব্যাহত রয়েছে। সেখানে সন্দেহ জনকদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর নেওয়া হচ্ছে।

তবে কিছুটা স্বস্তির খবর যে লক ডাউনের পর পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বাড়েনি।

তবে বেড়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পুরুষ মহিলার সংখ্যা। বুধবার পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ছিলেন ১৯ জন। সেই সংখ্যাটা কমে  হয়েছে ১৪ জন। এরমধ্যে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন ২ জন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন ৬জন ও কালনা মহকুমা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন ৬জন।

বুধবার পর্যন্ত এই জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ২৪ হাজার ৯২৬ জন। সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ২৮হাজার ৫৩৩ জন। এদিন নতুন করে ৩৭০৭ হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ট্রেন বাস বা অন্যান্য যান চলাচল বন্ধ। তার পরও হাজারে হাজারে হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়া পুরুষ মহিলা আসছে কোথা থেকে! স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা বলছেন, অনেকেই ভিন দেশ বা বাইরের রাজ্য থেকে আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু এলাকায় বাধার মুখে পড়ে তারা এখন চিকিৎসা করাতে আসছেন। যাদের দেহে এখনও করোনার উপসর্গ দেখা দেয়নি তাদের চোদ্দ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিদেশ থেকে এসে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ২৮৯ জন। এর মধ্যে ২৮ জন হোম কোয়ারেন্টাইনের সময়সীমা পূর্ণ করেছেন। ৮ জনের এখনও কোনও হদিশ মেলেনি।

দিন দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পুরুষ মহিলার সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, অনেকেই করোনা আক্রান্ত দেশ বা রাজ্য থেকে কয়েক দিন আগেই ফিরেছেন। বাড়ির লোকদের সঙ্গে মেলামেশা করেছেন। তারপর এলাকাবাসীর বাধায় হাসপাতালে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ করোনার ভাইরাস বহন করলে এলাকায় তার ফল মারাত্মক হতে পারে।

First published: March 27, 2020, 10:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर