corona virus btn
corona virus btn
Loading

COVID-19: বর্ধমান শহরে ফের করোনায় মৃত্যু ! বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা

COVID-19: বর্ধমান শহরে ফের করোনায় মৃত্যু ! বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা

নতুন করে আরও সাত জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বর্ধমান শহরে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরে করোনা আক্রান্ত হয়ে সোমবার আরও এক জনের মৃত্যু হল। একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় শহর জুড়ে আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছে। নতুন করে আরও সাত জন আক্রান্ত হয়েছেন বর্ধমান শহরে। এদিন পর্যন্ত এই শহরে শতাধিক পুরুষ মহিলা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে তাদের মধ্যে অনেকে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। শহরে অন্তত ২৫টি এলাকাকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। ওই এলাকাগুলিকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর, ছোট নীলপুর,লোকো এলাকায় পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। বুধবার থেকে শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডেই একটানা লকডাউন চালানো হচ্ছে।

বর্ধমান শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন করে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল এগারো জন। তার মধ্যে ৭ জনই বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের বেশিরভাগই পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব। কয়েক দিন জ্বর থাকার পর প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হচ্ছে। এর পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন কযোনা আক্রান্তরা। এদিকে বর্ধমানের দুই নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বাম চাঁদাইপুরে করোনা হাসপাতালে এখন জায়গা নাই বললেই চলে। তাই আক্রান্ত হলে কোথায় চিকিৎসা মিলবেন তা ভেবেও এখন চিন্তিত অনেকেই।

আগে বর্ধমান শহরের ১২, ১৩, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটা বড় অংশে ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ দেখা যাচ্ছিল। নতুন করে যে সাত জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে একজন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এছাড়া ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্ত হয়েছেন দু’জন। শুধু বর্ধমান শহর এলাকা নয়, শহরের আশপাশেও করোনার ব্যাপক সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বর্ধমান শহর লাগোয়া রায়ানে নতুন করে চারজন ও সরাইটিকরে একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে,ওই এলাকাগুলিকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। আক্রান্তের বাড়ি ও তার আশপাশের এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। কন্টেইনমেন্ট জোনে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এলাকাগুলি স্যানিটাইজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাস্তাগুলোতে জীবাণুনাশক ছড়াচ্ছেন পৌরসভার কর্মীরা। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা পুরুষ-মহিলাদের তালিকা তৈরি করে তাদের হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 27, 2020, 1:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर