corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা মানচিত্রে বেড়েই চলেছে কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা, আতঙ্কের প্রহর গুনছে শহরবাসী

করোনা মানচিত্রে বেড়েই চলেছে কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা, আতঙ্কের প্রহর গুনছে শহরবাসী

এতদিন কলকাতায় কনটাইনমেন্ট জোন বা সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা ছিল মোট ৩২৬টি। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৮টি। অর্থাৎ নতুন করে বারোটি সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা বেড়েছে কলকাতা পুরসভায়।

  • Share this:

#কলকাতাঃ আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না শহরবাসীর। কলকাতায় প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই এলাকাগুলিকে নতুন করে কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করছে। আর তার জেরেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক।

লকডাউন দেড় মাস অতিক্রান্ত। পুরোপুরি স্বাভাবিক জনজীবনে ফেরার আগে সরকার একটু একটু করে ছাড় দিচ্ছে বিভিন্ন সেক্টরে। কিন্তু তারমধ্যেই প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে শহরে করোনা মানচিত্রে নতুন নতুন জায়গায় যোগ হওয়ায়। এতদিন কলকাতায় কন্টেইনমেন্ট জোন বা সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা ছিল মোট ৩২৬টি। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৮টি। অর্থাৎ নতুন করে বারোটি সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা বেড়েছে কলকাতা পুরসভায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সাত নম্বর বরো-তে । সেখানে চারটি সংক্রমিত এলাকা বেড়েছে। নয় এবং দশ নম্বর বরোতে বেড়েছে দুটি করে সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা। এই পরিসংখ্যানই কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের। একই সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে  এলাকাবাসীদের মধ্যে।

নতুন কন্টেইনমেন্ট জোনের আওতায় পড়েছে কলকাতা পুরসভার দশ নম্বর বরোর ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি অংশ। লেক গার্ডেন্স পোস্ট অফিসের পাশেই ডি ব্লকের মধ্যে পড়ে এই অংশটি। ৯ মে এলাকার এক বাসিন্দার শরীরে করোনা সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। তারপর পুলিশ ওই বাড়ির আশেপাশের সব রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি করে দিয়েছে। ব্যারিকেডের মধ্যেই নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। যাতে লেখা রয়েছে ব্যারিকেডের ভেতরের বাসিন্দাদের কড়া নির্দেশ। একইসঙ্গে বহিরাগতরা যাতে ব্যারিকেডের মধ্যে প্রবেশ না করে, তারও হুঁশিয়ারি রয়েছে নোটিশে।

এই ঘটপ্নার জেরে এলাকাবাসীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম আতঙ্ক। লকডাউনের আওতার বাইরে থাকা দোকানপাটও খোলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে অন্য আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যাওয়ার সময় বলেন, 'মায়ের সত্তোরের ওপর বয়স হয়েছে। ছেলেটাও ছোট। তাই ঝুঁকি না নিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চোদ্দ দিনের জন্য চলে যাচ্ছি।' কাছেই একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় আসা এক ব্যক্তি একশ মিটারের মধ্যে কন্টেইনমেন্ট জোন শুনে  কাজ না মিটিয়ে বাড়ি চলে যান।

SOUJAN MONDAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 11, 2020, 6:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर