৩৩ জনের মৃত্যুতে ফাইজার টিকার সঙ্গে সংযোগ পায়নি নরওয়ে

৩৩ জনের মৃত্যুতে ফাইজার টিকার সঙ্গে সংযোগ পায়নি নরওয়ে

নরওয়ে সরকার জানিয়েছে, এসব মৃত্যুতে ফাইজার টিকার সরাসরি কোনও সংযোগ মেলেনি

নরওয়ে সরকার জানিয়েছে, এসব মৃত্যুতে ফাইজার টিকার সরাসরি কোনও সংযোগ মেলেনি

  • Share this:

    #অসলোনরওয়েতে ফাইজারের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ জনে । তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব মৃত্যুতে ফাইজার টিকার সরাসরি কোনও সংযোগ মেলেনি। তবে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়ার আগে অপেক্ষাকৃত দুর্বল টিকাগ্রহণকারীদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনা করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ২০২০ সালের ডিসেম্বরের শেষদিকে নরওয়েতে টিকাদান কর্মসূচির প্রচার শুরু হয়। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট ৪৮ হাজার মানুষকে এ টিকা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকি বিবেচনায় প্রথম ধাপে প্রৌঢ়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে ৩৩ জন বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা সবাই ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন।

    নরওয়ের ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথের পরিচালক ক্যামিলা স্টলটেনবার্গ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৩টি প্রাণহানির ঘটনার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাঁরা সবাই বয়স্ক মানুষ, দুর্বল এবং তাদের গুরুতর অসুস্থতা রয়েছে। তিনি বলেন, যে কারণগুলো উঠে এসেছে সেগুলোর ব্যাপারে এখনও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়নি। ক্যামিলা স্টলটেনবার্গ আরও বলেন, এটা মনে রাখা জরুরি যে নরওয়ের নার্সিং হোমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। সুতরাং এইসকল মৃত্যু ভ্যাকসিনের সঙ্গে সম্পর্কিত; এভাবে বলারও সুযোগ নেই। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর বয়স্ক ব্যক্তিদের প্রাণহানির ঘটনায় নরওয়েতে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের এই টিকা নেওয়া উচিত কিনা সেটি নিয়ে চিকিৎসকেরা আলোচনা করছেন। অন্য কয়েকটি দেশেও চিকিৎসকদের প্রতি একই ধরনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ৩৩ জনে নরওয়ের প্রতিবেশী ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও সুইডেন সহ আরও কয়েকটি দেশ টিকা দেওয়ার পরে প্রাণহানির কথা জানিয়েছে। তবে এসব মৃত্যুর সঙ্গে ভ্যাকসিনের সরাসরি কোনও যোগসূত্র প্রমাণিত হয়নি।

    ফাইজার ও বায়োএনটেক সোমবার জানিয়েছে যে, তারা প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহের জন্য নরওয়ের মেডিসিন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নরওয়ের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে মূলত কেয়ার হোমে বসবাসরত প্রবীণদের দিয়ে। এই প্রবীণ নাগরিকদের বেশিরভাগই অত্যন্ত বয়স্ক এবং তাদের শারীরিকভাবে অসুস্থ।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর