corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‌ওঁরা অসহায়দের পাশে’‌, জীবনের ঝুঁকি নিয়েও রক্তের সংকট মেটাতে উদ্যোগ

‘‌ওঁরা অসহায়দের পাশে’‌, জীবনের ঝুঁকি নিয়েও রক্তের সংকট মেটাতে উদ্যোগ

সংগৃহীত রক্ত তুলে দেওয়া হয় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে।

  • Share this:

#‌শিলিগুড়ি:‌ মারণ করোনার জের। রক্তের সঞ্চয় শূন্য অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কে। অথচ এই সময়েও প্রচুর রোগীর রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু করোনা আবহে সেভাবে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা যাচ্ছে না। অনেক সংগঠনই পিছিয়ে এসছে। আগে মাসে অন্তত ১০টি রক্তদান শিবিরের আয়োজন হত। কোনো কর্মী, সংগঠনই হোক বা ছাত্র সংগঠন। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো তো ছিলই। কিন্তু ভিড় এড়াতে ইচ্ছে থাকলেও রক্তদান শিবিরের আয়োজন হয়ে উঠছে না। ফলে তৈরী হয়েছে রক্তের সংকট।

রবিবার ছিল বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। তারই অঙ্গ হিসেবে এগিয়ে এল শিলিগুড়ির এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আজ আবার পদ্মশ্রী, ‘‌এম্বুলেন্স দাদা’‌ করিমুল হকের জন্মদিনও। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজন করা হয় রক্তদানের। শিলিগুড়ি লাগোয়া ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন বুড়াবুড়ি মন্দির চত্বরে আয়োজন করা হয় এই শিবিরের। শিবির শুরু হওয়ার আগে এলাকা স্যানিটাইজ করা হয়। করোনা সতর্কতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে রক্তদান। ইউনিক সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে রক্তদাতারা। রক্তদানে হাত বাড়িয়ে দেন ন’‌জন মহিলাও। উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী করিমুল হক।

সংগৃহীত রক্ত তুলে দেওয়া হয় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। আর যাঁরা রক্তদানে এগিয়ে এসেছেন তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় চারা গাছ। এই আয়োজনে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে শিলিগুড়ি ছাত্র সমাজ ও ব্লাডমেটস সংগঠনও। ইউনিক সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্য রাকেশ দত্ত জানান, দেশজুড়েই মহামারি করোনার জেরে রক্তাল্পতার সৃষ্টি হয়েছে। সেই সংকটের ভারসাম্য রক্ষায় এই আয়োজন। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই সংগঠনের সদস্যরা রাস্তায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায়, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। টানা খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে রান্না করা খাবার তুলে দিয়েছেন। আবার কখনও জামা, কাপড়ও তুলে দিয়েছেন দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের হাতে। শিশুদের মুখে তুলে দিয়েছেন দুধ, বিস্কুট। সাধ্যমতো লড়াই চালিয়ে আসছেন। আবার কখোনও বিভিন্ন এলাকায় জীবানুনাষক স্প্রেও করেছে। লকডাউনে নিজেদের ঘরবন্দী না রেখে পথে ছিলেন। পাশে ছিলেন ওঁদের। যাঁদের দেখার কেউ নেই। আবার অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে পারছেন না, খবর পেলেই ওঁরা ছুটে গিয়েছেন ওষুধের বাক্স নিয়ে।

Partha Sarkar

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: June 15, 2020, 12:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर