corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোভিড হাসপাতালে আর জায়গা নেই, পূর্ব বর্ধমানে বাড়ানো হচ্ছে সেফ হাউসের পরিকাঠামো

কোভিড হাসপাতালে আর জায়গা নেই, পূর্ব বর্ধমানে বাড়ানো হচ্ছে সেফ হাউসের পরিকাঠামো
সেফ হোমের দিকে ঝুঁকছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

বর্ধমানের কোভিড হাসপাতালে এখন আর জায়গা নেই বললেই চলে।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য সেফ হাউসের সংখ্যা বাড়ানো পরিকল্পনা নিল জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বর্ধমান ও কাটোয়া শহরে সেফ হাউস চালু করা হয়েছে। কালনা শহরেও একটি সেফ হাউস চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া মেমারি এক নম্বর ব্লকে একটি সেফ হাউস চালু করা হবে।

বর্ধমানের কোভিড হাসপাতালে এখন আর জায়গা নেই বললেই চলে। নতুন আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালকে অধিগ্রহণ করে সেখানে দ্বিতীয় কোভিড হাসপাতাল গড়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন ২১০ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্ধমান শহর লাগোয়া কোভিড হাসপাতালের পাশাপাশি উপসর্গহীন বা কম উপসর্গ থাকা আক্রান্তদের রাখা হয়েছে সেফ হাউসে। এছাড়া বেশ কয়েকজন বাড়িতে বা হোটেলে সেফ হোমে রয়েছেন। কাটোয়াতে একটি সেফ হাউস খোলা হয়েছে। সেখানে থাকা আক্রান্তদের বেশির ভাগই পৌরসভার কর্মী।

কাটোয়ায় সাফাই কর্মীদের মধ্যে  ব্যাপক হারে সংক্রমণ ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। গত কয়েকদিনে কাটোয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় পঁয়ত্রিশ জন। তাদের অনেকেই পৌরসভার সাফাই কর্মী। তবে তাদের বেশিরভাগেরই কোনও উপসর্গ নেই। উপসর্গ না থাকা আক্রান্তরা বাড়িতেই থাকছেন। বাড়িতে যাদের আলাদা থাকার পরিকাঠামো নেই তাদের রাখা হয়েছে সেফ হাউসে। পুরসভার সেফ হোমে  যে ১৪ জন রয়েছেন তাদের মধ্যে ১৩ জনই পৌরসভার কর্মী। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্টিকর খাবার, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।

জেলার মন্তেশ্বর, জামালপুর ব্লকেও সেফ হাউস তৈরির দাবি উঠেছে। এই ব্লক গুলিতেও উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানকার বাসিন্দাদের দাবি,অনেকেরই করোনার উপসর্গ রয়েছে। কিন্তু বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করানোর আগ্রহ দেখাচ্ছেন না অনেকেই।

তাছাড়া লকডাউনের কারণে বাস-ট্রেন বন্ধ। সে কারণে অনেকে যেতে পারছেন না। তবু যে ক'জনের পরীক্ষা হয়েছে তাতেই আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। গ্রামীণ এলাকায় অনেকের বাড়িতেই আলাদা থাকার পরিকাঠামো নেই। তাদের জন্য ব্লক স্তরে সেফ হোম চালু করা জরুরি।

Published by: Arka Deb
First published: July 29, 2020, 1:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर