‘‘মুরগি খাচ্ছি নিয়মিত, কই করোনা হয়নি তো ! কারা বলছেন এ কথা...?’’

‘‘মুরগি খাচ্ছি নিয়মিত, কই করোনা হয়নি তো ! কারা বলছেন এ কথা...?’’

ফার্মে শয়ে শয়ে জমে থাকা মুরগি নিয়ে এখন কি করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা গুজবে মুরগির দোকানমুখো হচ্ছেন না অনেকেই। জলের দর হাঁকছেন বিক্রেতারা। কিন্তু তাতেও মুরগির মাংসের দিকে ঘুরেও তাকাচ্ছেন না ক্রেতারা। তাতে চরম সমস্যায় পড়েছেন মুরগি পালকরা। ফার্মে শয়ে শয়ে জমে থাকা মুরগি নিয়ে এখন কি করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

করোনা ভাইরাস গুজবে মুরগির মাংস বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেল শুরু হয়েছে বর্ধমানের ভাতারে। গোটা মুরগির কেজি প্রতি দাম পঞ্চান্ন টাকা, কাটা মুরগি একশো টাকা লিখে মাইকে ঘোষনা করেও ক্রেতা মিলছে না সে খবর দেখানো হয়েছিল নিউজ18 বাংলায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন মুরগির মাংসের সঙ্গে করোনার কোনও সম্পর্ক নেই। তবুও মুরগির মাংসের প্রবেশ নিষেধ এখন অনেক রান্নাঘরেই।

তার জেরেই বিপাকে পড়েছেন পূর্ব বর্ধমানের মুরগি খামারের মালিকরা। তাঁদের খামার এখন মুরগিতে ঠাসা। ভাতারের মুরগি খামারের মালিক শেখ মুজিবল হক বললেন, ‘‘বহুদিন ব্যবসা করছি। এমন বিপাকে কখনও পড়িনি। তিনি বলেন, আমরা তো নিয়মিত মুরগির সঙ্গে থাকছি। মুরগির মাংস খাচ্ছি। কই আমাদের তো করোনা হয়নি। অনেকে মুরগি খাচ্ছেন না। আবার অনেকে তো মুরগির মাংস খাচ্ছেনও। তাদের কেউ কি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ?’’

মুরগি ফার্মের মালিকরা বলছেন, একে তো বিক্রি না থাকায় লোকসান হচ্ছেই। তার ওপর প্রতিদিন খরচ বাড়ছে।  সাধারণত ৪২ দিনের পর মুরগির ওজন বিশেষ বাড়ে না। বরং কমে। অনেক মুরগিই সেই সময় সীমা পার করে ফেলেছে। তাদের খাবার খাওয়াতেই প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। উলটে এখন মুরগির ওজন কমে যাচ্ছে। অথচ সে সব বিক্রির কোনও উপায় দেখা যাচ্ছে না।

শুধু ভাতার নয়, মুরগির মাংসের দাম কমেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার সব এলাকাতেই। বর্ধমানে কিছু দিন আগেও মুরগির কাটা মাংসের দাম ছিল ১৮০ টাকা কেজি। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। তাতেও বিক্রি বেশ কম। খন্ডঘোষের বাঁকুড়া মোড়ে কাটা মুরগির দাম ৯০-১০০ টাকা কেজি।

Saradindu Ghosh

First published: March 6, 2020, 4:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर