corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে ১৫ হাজার কোটি বরাদ্দের দাবি, ধার নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াল কেন্দ্র

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে ১৫ হাজার কোটি বরাদ্দের দাবি, ধার নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াল কেন্দ্র
নির্মলা সীতারমণ৷

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এ দিন স্বীকার করেছেন, করোনা সঙ্কটের ধাক্কায় রাজ্যগুলির আয় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা সঙ্কটে সব রাজ্যেরই আয় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে৷ পশ্চিমবঙ্গ সহ অনেক রাজ্যই কেন্দ্রের কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি জানিয়েছিল৷ বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের ব্যাখ্যা দিতে বসে রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ দাবি করলেন, করোনা সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে রাজ্যগুলিকে ইতিমধ্যেই ১৫ হাজার কোটি সাহায্য করা হয়েছে৷ এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যগুলির বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের জন্য অগ্রিম ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে৷ এ ছাড়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মাধ্যমে রাজ্যগুলিকে করোনার মোকাবিলার জন্য আরও ৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন৷

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এ দিন স্বীকার করেছেন, করোনা সঙ্কটের ধাক্কায় রাজ্যগুলির আয় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে৷ সেই কারণে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যগুলি ঋণ নেওয়ার ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিল কেন্দ্রের কাছে৷ সেই দাবিও পূরণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এবার থেকে নিজেদের জিডিপি-র ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে রাজ্যগুলি৷ এতদিন যা ছিল রাজ্যগুলির মোটা আয়ের ৩ শতাংশ৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, এর ফলে অতিরিক্ত ৪ লক্ষ ২৮ হাজার কোটি টাকার ঋণ পাবে রাজ্যগুলি৷

এর পাশাপাশি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে রাজ্যগুলিরে স্বল্প মেয়াদি ঋণ নেওয়ার সময়সীমা ১৪ দিন থেকে বাড়িয়ে ২১ দিন করা হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে গচ্ছিত নিজেদের মোট অর্থের ৬০  শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে রাজ্যগুলি৷

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এ দিন আরও দাবি করেছেন, এপ্রিল এবং মে মাসে রাজস্ব ঘাটতি অনুদান হিসেবে রাজ্যগুলিকে ১২,৩৯০ কোটি টাকা সময় মতোই দেওয়া হয়েছে৷  পাশাপাশি কেন্দ্রের কর বাবদ আয় কমলেও এপ্রিল মাসে রাজ্যগুলির প্রাপ্য বাবদ ৪৬,০৩৮ কোটি টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷ তবে ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির বকেয়া এখনও মেটানো হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 17, 2020, 1:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर