corona virus btn
corona virus btn
Loading

দেবীপক্ষে বিরাট দুঃসংবাদ! পশ্চিমবঙ্গ-সহ অনেকগুলি পকেটে শুরু গোষ্ঠী সংক্রমণ! মেনে নিল কেন্দ্র

দেবীপক্ষে বিরাট দুঃসংবাদ! পশ্চিমবঙ্গ-সহ অনেকগুলি পকেটে শুরু গোষ্ঠী সংক্রমণ! মেনে নিল কেন্দ্র
প্রতীকী চিত্র।

সবচেয়ে আশঙ্কার কথা গোষ্ঠী সংক্রমণের আওতায় থাকা রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গকেও রাখছে কেন্দ্র।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: এই প্রথম গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা স্বীকার করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন রবিবারই প্রথম জানিয়ে দিলেন, ভারতে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হচ্ছে। যদিও তাঁর মত, এই সংক্রমণ এখনও পর্যন্ত কয়েকটি জেলাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। সবচেয়ে আশঙ্কার কথা গোষ্ঠী সংক্রমণের আওতায় থাকা রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গকেও রাখছে কেন্দ্র। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে জুলাই মাস থেকে বাংলায় শুরু হয়ে গিয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ।

সাপ্তাহিক ওয়েবিনার সানডে সংবাদে প্রতি সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও হাজির হয়েছিলেন হর্ষবর্ধন। নানা প্রশ্নের মধ্যেই উঠে আসে গোষ্ঠী সংক্রমণের প্রশ্ন। হর্ষ বর্ধন জানান, বিভিন্ন রাজ্যের কয়েকটি পকেটে গোষ্ঠী সংক্রমণ আরও ছড়াবার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশেষত্ব যেসব অঞ্চলে ঘন জনবসতি রয়েছে, সেখানেই এই সংক্রমণনের সম্ভাবনা। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গাও এই তালিকায় রয়েছে। তবে গোটা দেশেই গোষ্ঠী সংক্রমণের থাবা বসেনি।

অতীতে বহুবার গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা উঠলেও এড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্র। বলা হয়েছে ছোট সংক্রমণের ঘটনা। কিন্তু আমআদমি সরকার পরিচালিত দিল্লি এবং বামরাজ্য কেরল গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা স্বীকার করেছে। এবার সংক্রমণের তৃতীয় ধাপে উঠে আসছে পশ্চিমবঙ্গের নাম। এই তৃতীয় পর্যায়ের অর্থ গোষ্ঠী সংক্রমণ। চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে অতিমারী। উল্লেখ্য প্রথম দু'টি পর্যায় হল, বিদেশ থেকে আসা সংক্রমণ এবং স্থানীয় ভাবে তার ছড়িয়ে পড়া।

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলতে কী বোঝায়?

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এমন একটা অবস্থা যখন বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এই সময় সংক্রমণের উৎসটি (ইনডেক্স পার্সন) খুঁজে পাওয়া যায় না সহজে। পাওয়া যায় না সংক্রমণের শৃঙ্খলটির বিস্তার।

প্রসঙ্গত এদিনই সরকারি অ্যাডভাইসারি কমিটি বলেছে ভারতে ৩০ শতাংশ মানুষের শরীরের করোনার সঙ্গে লড়াই করার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে ২০২১ সালের মধ্যে সংক্রমণ নাগালে আসবে। কিন্তু পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে জমায়েত নিয়েও।

আর এখানেই ভয় পশ্চিমবঙ্গের। দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে গিয়েছে। পুজো প্যান্ডেলগুলি বারবার অনুরোধ করছে হেঁটে নয় নেটে ঠাকুর দেখতে। এর পরেও ভীড় আটকাতে না পারলে বাঁধ ভাঙতে পারে করোনা। গত সপ্তাহেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি দেয় ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। সেই চিঠিতে তাঁরা লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের হাসপাতালগুলি পুরো ভর্তি। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। এরপর যদি ব্যাপক হারে করোনা হয় তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। কিন্তু ছবি বলছে এই উদ্বেগের বার্তা তুলে দেওয়া যাচ্ছে না একাংশের কানে।

Published by: Arka Deb
First published: October 18, 2020, 6:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर