corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনে জরুরি ওষুধ পৌঁছতে পাশে পেলেন না পুলিশকে, সাহায্যে এগিয়ে এল News18 বাংলা

লক ডাউনে জরুরি ওষুধ পৌঁছতে পাশে পেলেন না পুলিশকে, সাহায্যে এগিয়ে এল News18 বাংলা

আশিস নাগ বা সুমিতা চক্রবর্তী নয়, News18 Bangla- নিজেদের সামাজিক দায়িত্ব আগেও পালন করেছে, ভবিষ্যতেও এভাবেই পালন করবে।

  • Share this:

#কলকাতাঃ টালিগঞ্জের বাসিন্দা সুমিতা চক্রবর্তী তাঁর ছেলের অসুস্থতার জন্য জরুরি ওষুধ পাচ্ছিলেন না। টালিগঞ্জ এলাকার বহু ওষুধের দোকানেও মেলেনি সেই ওষুধ। শেষমেষ রাজাবাজার এলাকায় তাঁর আত্মীয় আশিস নাগকে অনুরোধ করেছিলেন, মধ্য কলকাতায় যদি ওষুধগুলি পাওয়া যায় তা দেখার জন্য। রবিবার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে এক দোকানে জরুরি সব ওষুধ খুঁজে পান আশিস নাগ। কিন্তু লকডাউনের মাঝে কীভাবে টালিগঞ্জে ওষুধ পৌঁছে দেবেন? তা নিয়ে শুরু হয় নতুন চিন্তা। শেষমেষ পুলিশের সাহায্য চান আশিসবাবু। কিন্তু এই লক ডাউনে পুলিশের এত মানবিক মুখ দেখা গেলেও তাঁকে হতাশ হতে হল।

লক ডাউনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে দেখেছেন রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আশিস নাগ। তিনি জানান, আত্মীয়কে নিজে হাতে পৌঁছে দিতে না পেরে পুলিশের সাহায্য চান তিনি। প্রথমে ১০০ ডায়ালে ফোন করে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার আর্জি জানান। সেখান থেকে দেওয়া হয় অপর একটি নম্বর। সেই নম্বরে ফোন করেও কেউ ফোন তোলেনি বলে অভিযোগ। তারপর সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও মহাত্মা গান্ধী রোড ক্রসিংয়ে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের অনুরোধ করেন জরুরি ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার জন্য। কারণ রবিবার থেকেই ওষুধ শুরু না হলে অসুস্থতা আরও বাড়তে পারে। সেখানেও সাহায্য না পেলে রাজাবাজার মোড়ে এসে নাকা চেকিং পয়েন্টে থাকা পুলিশকর্মীদের সাহায্য চান। তারাও কার্যত খালি হাতেই ফেরায় আশিসকে।

শেষমেষ রাজাবাজার মোড়ে News18 Bangla-র গাড়ি দেখে সাহায্য চেয়ে এগিয়ে আসেন তিনি। নিজের অসহায়তার কথা জানানোর পাশাপাশি পুলিশের সাহায্য চেয়ে কি অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছেন তাও বলেন তিনি। News18 Bangla ফেরায়নি তাঁকে। দায়িত্ব নেয় টালিগঞ্জে তার আত্মীয়ের বাড়িতে সব জরুরি ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার।

অন্যদিকে, ছেলের প্রয়োজনীয় ওষুধ পাবেন কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সুমিতাদেবী। রাজাবাজার মোড়ে দাঁড়িয়ে আশিসবাবু ফোন করে তাঁর আত্মীয় সুমিতা চক্রবর্তীকে আশ্বস্ত করেন। জানান, পুলিশ সাহায্যে এগিয়ে না এলেও কিছু সময়ের মধ্যেই News18 Bangla তাঁর ছেলের জন্য জরুরি সব ওষুধ বাড়িতেই পৌঁছে দেবে। জরুরি ওষুধ বাড়িতে পেয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন সুমিতাদেবী। জানান, রবিবার তাঁর ছেলের প্রয়োজনীয় ওষুধ না পাওয়া গেলে শারীরিক সমস্যা আরও বাড়তে পারত। তিনি বলেন, "আজ থেকেই নতুন ওষুধ শুরু না হলে ছেলের সমস্যা বাড়ত। প্রথমে ওষুধ পাচ্ছিলাম না। পরে সেই ওষুধ পাওয়া গেলেও খাওয়াতে পারব কিনা তা নিয়ে আরও চিন্তায় ভুগছিলাম। ওষুধ না পেলে কি হত জানা নেই। News18 Bangla-র কাছে আমি কৃতজ্ঞ রইলাম।"

আত্মীয়র কাছে ওষুধ পৌঁছে যাওয়ার খবর পেয়ে চিন্তা মুক্ত হয়েছেন আশিস নাগও। News18 Bangla-কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "পুলিশের কাছে সাহায্য পাব বলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা হতাশাজনক। News18 Bangla-কে ধন্যবাদ জানানোর কোনও ভাষা নেই।" শুধু আশিস নাগ বা সুমিতা চক্রবর্তী নয়, News18 Bangla- নিজেদের সামাজিক দায়িত্ব আগেও পালন করেছে, ভবিষ্যতেও এভাবেই পালন করবে।

SUJOY PAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: April 19, 2020, 10:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर