করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিয়ের প্রীতিভোজ বাতিল করে দরিদ্রদের হাতে কাপড় ও মাস্ক তুলে দিলেন নবদম্পতি

বিয়ের প্রীতিভোজ বাতিল করে দরিদ্রদের হাতে কাপড় ও মাস্ক তুলে দিলেন নবদম্পতি

এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বলগোনার বাসিন্দারা।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আবহে বিয়ের প্রীতিভোজ বাতিল। বেঁচে যাওয়া টাকায় দরিদ্রদের নতুন কাপড় কিনে দেন নবদম্পতি। সেই সঙ্গে দেন খাদ্য সামগ্রীও। সবুজ বাড়াতে চারাগাছ। সেই সঙ্গে করোনা থেকে বাঁচার জন্য দিলেন মাস্ক। দিলেন সম্প্রীতির বার্তা। তাদের এই কাজে খুশি সকলেই। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বলগোনার বাসিন্দারা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের বলগোনার রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা শেখ রাজু। শুক্রবার নিত্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গাপাড়ায় টুকটুকি বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। শনিবার ছিল বউভাতের অনুষ্ঠান। অনেক ধুমধাম করে সবাইকে নিমন্ত্রণ করে বিয়ের অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে রাখার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল দু’জনেরই।  কিন্তু তাতে বাধ সেধেছে করোনা।  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে পঞ্চাশ জনের বেশি লোক সমাগম  করা যাবে না বলে আগেই জানিয়েছে রাজ্য সরকার। ফলে সবাইকে নিমন্ত্রণ করে সেই অনুষ্ঠান করতে পারেনি রাজু। তাই অন্যভাবে সেই অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজু। পাড়া পড়শিদের ভোজের বদলে তিনি গরীব দুঃস্থদের একটি করে বস্ত্র দেওয়ার মনস্থির করেন। সেইসঙ্গে সবুজ বাড়াতে সবার হাতে তুলে দিলেন একটি করে চারা গাছ। দিলেন কিছু খাদ্য সামগ্রী। সেইসঙ্গে করোনা ভাইরাসের মোকাবেলা করার জন্য মাস্ক তুলে দিলেন প্রত্যেকের হাতে। তাঁর এই উদ্যোগে খুশি এলাকার সকল সম্প্রদায়ের মানুষ। ১২০ জনকে একটি করে বস্ত্র বিতরণ করেন শেখ রাজু।

রাজু বলেন, লক ডাউন ও তার পরবর্তী সময়ে কাজ না থাকায় অনেকেই উপার্জন হারিয়েছেন। অনেকেরই এখন পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই। তাঁদের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ। সেইসঙ্গে পরিবেশ নির্মল করতে তুলে দেওয়া হল চারাগাছ। বাসিন্দারা যাতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতন থাকেন সেই বার্তা দিতেই তাদের হাতে মাস্ক তুলে দেওয়া হয়।

নববধূ টুকটুকি বেগম জানান, ‘‘বৌভাতের অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে কিছু বস্ত্র ও সবুজ উন্নয়নের জন্য গাছ বিতরণ করার কথা আমাকে জানানো হয়েছিল। তখনই সে কথায় সায় দিয়েছিলাম। আমরা যাতে সুখী হতে পারি সেই আশীর্বাদ চেয়েছি।’’ বাড়িতে আসা অতিথি শেখ শফিকুল জানান, ‘‘বিয়েবাড়ির খরচা বাঁচিয়ে এই বস্ত্র দান ও বৃক্ষ দান সত্যিই একটা মহৎ কাজ। আমরা সকলেই ওদের দুইজনকে আশীর্বাদ করছি।’’

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 12, 2020, 10:36 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर