অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে বন্দর হাসপাতালে বসছে ট্যাঙ্ক

কোভিড পরিস্থিতিতে গত এক বছর ধরে একাধিক ব্যবস্থা নিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর হাসপাতালের কলকাতা ইউনিটে ১৩০টি কোভিড বেড আছে।

কোভিড পরিস্থিতিতে গত এক বছর ধরে একাধিক ব্যবস্থা নিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর হাসপাতালের কলকাতা ইউনিটে ১৩০টি কোভিড বেড আছে।

  • Share this:

 #কলকাতা: এবার কলকাতা বন্দর হাসপাতালে বসানো হচ্ছে অক্সিজেন ট্যাঙ্ক। বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্দরের হাসপাতালে ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই বন্দর হাসপাতালে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই কাজে সহায়তা করবে, পশ্চিমবঙ্গে যে বহুজাতিক সংস্থা অক্সিজেন সরবরাহ করছে সেই 'লিন্ডে'।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন, এই অক্সিজেন ট্যাঙ্ক থেকে অন্তত এক মাসের অক্সিজেনের চাহিদা মেটানো যাবে। 'লিন্ডে' চাহিদামতো তরল অক্সিজেন সরবরাহ করতে থাকবে বন্দর হাসপাতালে। কোভিড পরিস্থিতিতে গত এক বছর ধরে একাধিক ব্যবস্থা নিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর হাসপাতালের কলকাতা ইউনিটে ১৩০টি কোভিড বেড আছে। আছে ভেন্টিলেটর ও এইচ এফ এন সুবিধা। কোভিড চিকিৎসা করার জন্যে একটা বিশেষ টিম তৈরি করা আছে। এছাড়া অক্সিজেন সরবরাহ করা সরাসরি বা সেন্ট্রাল  লাইন যুক্ত ১০০ বেড প্রস্তুত আছে।

বন্দরের চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন,  জাহাজ মন্ত্রকের নির্দেশেই কোভিড বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তাদের পরিকল্পনা মতোই তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাঝেরহাটের এই হাসপাতালে আপাতত চিকিৎসা চলছে ৯৩ জন রোগীর। রোগীদের অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে ১০ টি জাম্বো অক্সিজেন সিলিন্ডারকে প্রতি দিন ৮ বার করে রি-ফিলিং করতে হয়। কিন্তু অক্সিজেনের জোগান সব সময় যথাযথ না থাকায় দ্রুত ট্যাঙ্ক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন,  মাঝেরহাটের বন্দর হাসপাতালে ৩০০০ লিটারের তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানো হচ্ছে৷ শীঘ্রই যা চালু হয়ে যাবে। কলকাতার হাসপাতালের পাশাপাশি হলদিয়ার হাসপাতালেও জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে কোনও নাবিক বা জাহাজের অন্য কর্মী বা বন্দরের কোনও কর্মী অসুস্থ হলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে স্বচ্ছ্বতায়৷

 ABIR GHOSHAL

Published by:Debalina Datta
First published: