corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা রিপোর্ট না দেখেই পরিবারকে মৃতদেহ, মুম্বইয়ের হাসপাতালের ভুলে বিপদে ৫০০ জন

করোনা রিপোর্ট না দেখেই পরিবারকে মৃতদেহ, মুম্বইয়ের হাসপাতালের ভুলে বিপদে ৫০০ জন
প্রতীকী চিত্র৷

স্থানীয় প্রশাসন এই বিপত্তির জন্য হাসপাতালকে দায়ী করলেও তারা অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷

  • Share this:
 

#মুম্বই: রোগীর মৃত্যুর পর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ মৃতের শেষকৃত্যে অংশ নিলেন প্রায় পাঁচশো মানুষ৷ এর পর হাসপাতাল থেকে ফোন করে পরিবারকে জানানো হল, মৃতের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে! স্বভাবতই হাসপাতালের এ হেন গাফিলতিতে কয়েকশো মানুষের সংক্রামিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷

করোনার দাপটে যখন মুম্বইয়ের দিশেহারা অবস্থা, ঠিক তখনই শহরের একটি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের অভিযোগ উঠেছে৷ অভিযোগ মুম্বইয়ের ভাসাই এলাকার কার্ডিনাল গ্রেসিয়াস হাসপাতালে গত বৃহস্পতিবার এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়৷ এর পরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার জন্য অপেক্ষা না করে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ সেদিনই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়৷ মুম্বইয়ের একটি দৈনিক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির শেষকৃত্যে প্রায় ৫০০ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন৷

ঠিক তার পরের দিনই হাসপাতাল থেকে ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, মৃত ব্যক্তির করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এই খবর প্রকাশ্য আসার পরই আতঙ্ক ছড়ায়৷ যাঁরা মৃতদেহের খুব কাছাকাছি এসেছিলেন, এমন চল্লিশজনকে চিহ্নিত করে অবিলম্বে কোয়ারেন্টাইন করা হয়৷

নিয়ম অনুযায়ী মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার আগেই করোনা পরীক্ষা করার কথা৷ কিন্তু সেই বিধি ভঙ্গ করে কীভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমন ভুল করল, সেই প্রশ্ন উঠছে৷ জানা গিয়েছে, হাসপাতাল থেকে দেহ পাওয়ার পর পরিজনেরা তা আরনালায় মৃতের গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়৷ স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে মৃতদেহের খুব কাছে আসা চল্লিশজনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার পাশাপাশি শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া বাকিদের চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যপরীক্ষা এবং নজরদারির কাজ শুরু হয়েছে৷

স্থানীয় প্রশাসন এই বিপত্তির জন্য হাসপাতালকে দায়ী করলেও তারা অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাল্টা দাবি, সমস্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ অবলম্বন করেই মৃতদেহ পরিবারকে দেওয়া হয়েছে৷ তাদের আরও দাবি, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হিসেবে ভর্তি করা হয়নি৷ মৃতদেহ ছাড়ার জন্য অনেকেই ফোন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছিল বলেও অভিযোগ৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, সামাজিক দূরত্ব মেনে সৎকার করা পরিবারের দায়িত্ব ছিল৷ করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসতেও অনেকটা সময় লাগছে বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 7, 2020, 5:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर