দ্বিতীয় ডোজের করোনা টিকা নিতে আসছেন না অধিকাংশই!

দ্বিতীয় ডোজের করোনা টিকা নিতে আসছেন না অধিকাংশই!
Most Covid-19 Vaccine Recipients Skipped Second Dose

বিশ্বের মধ্যে করোনা সুস্থতার হারে (৯৭.৩১ শতাংশ) ভারত সবার আগে৷ মহামারি যুদ্ধে এ খবর যেমন অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক, তেমনই আবার দুশ্চিন্তার খবরও শোনাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিশ্বের মধ্যে করোনা সুস্থতার হারে (৯৭.৩১ শতাংশ) ভারত সবার আগে৷ মহামারি যুদ্ধে এ খবর যেমন অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক, তেমনই আবার দুশ্চিন্তার খবরও শোনাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷ চমকে দেওয়ার মতো পরিসংখ্যান বলছে, দ্বিতীয় ডোজের করোনা টিকা (Covid-19 Vaccine) নিতে আসছেন না অধিকাংশই!

    গত শনিবার ৭৬৬৮ জন 'বেনিফিসিয়ারিস' দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছে৷ যা মাত্র প্রথম ডোজ নেওয়া স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন কর্মীদের মাত্র ৪ শতাংশ! গত ১৬ জানুয়ারি ভারতে প্রথম করোনা টিকা (Covid Vaccine) দেওয়ার মহাযজ্ঞ শুরু হয়৷ ওদিন ১ লক্ষ ৯১ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী করোনা টিকা নিয়েছিলেন৷ কিন্তু এখন সংখ্যাটা অনেকটাই কম৷ যা চিন্তার বিষয়৷

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি (The world's largest immunisation exercise against COVID-19) হচ্ছে ভারতেই৷ প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় ডোজ নিতে ড্রাগ রেগুলেটরের সুপারিশ মেনে৷ কিন্তু যাঁরা প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন, তাঁদের সিংহ ভাগই দ্বিতীয়বারের জন্য টিকা নিতে আসছেন না৷


    সরকার জানিয়ে দিয়েছে আগামী ১ মার্চের মধ্যে সকল করোনা যোদ্ধাদের টিকাদানের কাজটা শেষ করতে হবে৷ পাঁচ দিনের "মপ আপ" কর্মসূচিকে মাথায় রেখেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব মনদীপ ভাণ্ডারি জানান যে, ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন কর্মীদের টীকাকরণ শেষ করতেই হবে৷

    গত ১ অক্টোবর ২০২০ থেকে ভারতে মৃত্যুর হার কমতে শুরু করেছে৷ এই মুহূর্তে যা ১.৫ (১.৪৩ শতাংশ) এর নীচে৷ করোনায় ভারতে মৃত্যুর হারও বিশ্বের মধ্যে অন্যতম কম৷ ভারতের কোভিড-১৯ সুস্থতার হার ৯৭.৩১ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ৷ আজকের তারিখ পর্যন্ত অ্যাক্টিভ কেস ও সুস্থ হয়ে ওঠার মধ্যে এখন ফারাক ১,০৪,৭৪,১৬৪৷" স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন কর্মীদের মিলিয়ে দেশে এখনও পর্যন্ত ৮২ লক্ষ কোভিড টীকারণ হয়েছে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে৷ গত শনিবার থেকেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published:

    লেটেস্ট খবর