corona virus btn
corona virus btn
Loading

অমৃতসর থেকে বিশেষ ট্রেনে বর্ধমান, প্রায় ৬০ দিনের প্রতীক্ষা শেষে ফিরলেন শতাধিক বাসিন্দা

অমৃতসর থেকে বিশেষ ট্রেনে বর্ধমান, প্রায় ৬০ দিনের প্রতীক্ষা শেষে ফিরলেন শতাধিক বাসিন্দা

রাজ্যে ফিরে জেলার মাটিতে পা ফেলা সম্ভব হলেও এখনও বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র মেলেনি।

  • Share this:

#বর্ধমান: তাঁরা বাড়ি ফেরার আবেদন জানিয়ে আসছিলেন লক ডাউনের শুরু থেকেই। কাজ করতে গিয়েছিলেন বাইরের রাজ্যে। লক ডাউনে কাজ গিয়েছে। তার জেরে উপার্জনও বন্ধ। কেউ একটা ঘরে একসঙ্গে অনেক জন কোনও রকমে দিনের পর দিন কাটিয়েছেন। কখনও খাবার জুটেছে। কখনও শুকনো খাবার খেয়ে কোনও রকমে দিন কাটিয়েছেন। বাইরে বেরোলে বিদেশ বিভুঁইয়ে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আটক হওয়ারও ভয় ছিল।

অন্যদিকে এই রাজ্যে বাড়ির অন্যান্যদের জন্য দুশ্চিন্তারও শেষ নেই। অবশেষে সেই কাঙ্খিত ফেরা হল ভিন রাজ্যে আটকে পড়া বাসিন্দাদের। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের ১০০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে নিয়ে অমৃতসর থেকে বর্ধমান জংশনে পৌঁছলো স্পেশাল ট্রেন।

ট্রেন আসার কথা ছিল দুপুর দুটো পনেরো নাগাদ। সেই ট্রেন এসে পৌঁছলো রাত আটটায়। ট্রেনের বিলম্বের ধকল, খাদ্য পানীয় জলের অপ্রতুলতা ছিলই। তবুও দীর্ঘ চেষ্টার পর রাজ্যে ফিরতে পেরে স্বস্তিতে সকলেই। বর্ধমান রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকার আগেই ছিল সাজ সাজ প্রস্তুতি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বন্দোবস্ত ছিল সবেরই। ছিল দড়ির ব্যারিকেড। বসার জন্য প্ল্যাটফর্মে  দূরত্ব রেখে সাজানো চেয়ার।

রাজ্যে ফিরে জেলার মাটিতে পা ফেলা সম্ভব হলেও এখনও বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র মেলেনি। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গে কড়া পুলিশি ব্যবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে আনা হয় যাত্রীদের। থার্মাল গান দিয়ে প্রত্যেকের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। এরপর আগে থেকে তৈরি রাখা অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয় ১১৭ জন যাত্রীকে। বর্ধমান রেল স্টেশন থেকে তাঁদের নিয়ে যাওয়া  হয় কৃষি খামারের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ফের তাদের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকেই তাদের করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। করোনার উপসর্গ থাকলে তাদের থাকতে হবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারেই। সুস্থরা বাড়ি ফেরার অনুমতি পাবেন।তবে বাড়ি ফিরে তাদের ১৪ দিনের জন্য কঠোরভাবে  হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতেই হবে।

Saradindu Ghosh

Published by: Elina Datta
First published: May 16, 2020, 11:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर