• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • করোনা নেই! তবু তাড়িয়ে দিল পরিবার, রাস্তায় আধপেটা দিন কাটছে পরিযায়ী শ্রমিকের

করোনা নেই! তবু তাড়িয়ে দিল পরিবার, রাস্তায় আধপেটা দিন কাটছে পরিযায়ী শ্রমিকের

রায়গঞ্জ শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর এলাকার বাসিন্দা রাজেশ সরকার পরিবারের মুখেই অন্ন জোগাতেই ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন।

রায়গঞ্জ শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর এলাকার বাসিন্দা রাজেশ সরকার পরিবারের মুখেই অন্ন জোগাতেই ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন।

রায়গঞ্জ শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর এলাকার বাসিন্দা রাজেশ সরকার পরিবারের মুখেই অন্ন জোগাতেই ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ:  গুজরাত থেকে নিজের বাড়ি রায়গঞ্জ শহরে ফিরলেও পরিবার পরিজন তাঁকে ঘরে তুললেন না৷ ঠাঁই হয়নি কোনও কোয়ারেন্টাইন সেন্টারেও৷  বাধ্য হয়ে রাস্তার ধারে কাউন্সিলরের দেওয়া পলিথিন টাঙিয়ে বেঞ্চে শুয়ে রাত কাটাচ্ছেন রায়গঞ্জ দেবীনগরের বাসিন্দা রাজেশ সরকার।

স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ খাবার দিলে খাচ্ছেন৷ নইলে অভুক্তই থেকে দিন কাটাচ্ছেন। করোনা আক্রান্ত না হয়েও গুজরাত থেকে আসার কারণে পরিবারও তাঁকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন। স্থানীয় কাউন্সিলরও ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চাপে নিরুপায় হয়ে শুধুমাত্র একটি পলিথিন দিয়েই দায় সেরেছেন।

রায়গঞ্জ শহরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীনগর এলাকার বাসিন্দা রাজেশ সরকার পরিবারের মুখেই অন্ন জোগাতেই ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন।  রাজেশ গুজরাতের একটি মোটরবাইক তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশজুড়ে চলা লকডাউনের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে কারখানা। দুদিন  আগে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে চেপে মালদহে নেমে রায়গঞ্জ শহরে ফিরে তিনি প্রথমেই রায়গঞ্জ গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখান থেকে একটি সুস্থতার সার্টিফিকেটও তাঁকে দেওয়া হয়। এরপর তিনি তাঁর নিজের বাড়িতে প্রবেশ করতে চাইলে তাঁর পরিবারই তাকে গ্রহণ করেনি।

এমনকী বাড়ির বারান্দাতেও স্থান দেওয়া হয়নি তাঁকে। এমতাবস্থায় স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অভিজিৎ সাহার দ্বারস্থ হন তিনি। অভিজিৎবাবু নিজে রাজেশের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে  হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা বললেও পরিবারের লোকজন ও এলাকার বাসিন্দারা রাজেশকে এলাকায় রাখতে নারাজ। পারিপার্শ্বিক চাপে পড়ে নিরুপায় হয়ে কাউন্সিলর অভিজিৎ সাহা তাকে একটি পলিথিন দেন।

দেবীনগর এলাকায় রাস্তার ধারে সেই পলিথিন টাঙিয়ে বেঞ্চের উপর শুয়ে অসহায়ভাবে রাত কাটাতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিক রাজেশ সরকারকে। জোটেনি সরকারি কোয়ারেন্টাইনে থাকার ব্যাবস্থাও। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পরিবারের লোক এসে মাঝেমধ্যে খাবার দিচ্ছে আবার কোনও সময় তাও জুটছে না তাঁর।

প্রতিবেশী নিতাই দাস জানিয়েছেন, ঝোপ ঝাড়, জঙ্গলে অন্ধকারের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন রাজেশ দাস।কাউন্সিলর অভিজিৎ সাহা তাঁকে একটি ত্রিপল দিয়ে দায় সেরেছেন।

কাউন্সিলর অভিজিৎ সাহা জানান, একই সঙ্গে তিনজন গুজরাত থেকে তাঁর ওয়ার্ডে এসেছেন। দুজনকে হোম কয়োরান্টাইনে ব্যবস্থা করা করা হয়েছে। রাজেশকে সেই ব্যবস্থা পরিবারের চাপে করা যায়নি।তিনি চরম কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে তাঁর পুরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে।খুব শীঘ্রই তাকে একটি ভাল জায়গায় নিয়ে রাখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

UTTAM PAUL

Published by:Arindam Gupta
First published: