corona virus btn
corona virus btn
Loading

জাতীয় সড়ক মৃত্যুফাঁদ, এই জেলায় দেখামাত্রই আটকানোর নির্দেশ পরিযায়ী শ্রমিকদের

জাতীয় সড়ক মৃত্যুফাঁদ, এই জেলায় দেখামাত্রই আটকানোর নির্দেশ পরিযায়ী শ্রমিকদের
জাতীয় সড়কে দেখলেই পরিযায়ী শ্রমিকদের আটকাতে নির্দেশ পূ্র্ব বর্ধমানে।

জাতীয় সড়ক বা রেল লাইন ধরে হেঁটে যাওয়া শ্রমিকদের আবার আটকানোর নির্দেশ আসতেই তৎপরতা বাড়িয়েছে থানাগুলি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে।

  • Share this:

পূর্ব বর্ধমান: জাতীয় সড়ক বা রেল লাইন ধরে হাঁটা পরিযায়ী শ্রমিকদের দেখা মাত্র আটক করার নির্দেশ জারি করল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলার প্রতিটি থানায় এ ব্যাপারে নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পরামর্শের ভিত্তিতে এই নির্দেশ বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই শ্রমিকরা হেঁটে চলেছেন। কোনও দল চলেছে জাতীয় সড়ক ধরে। কোনও দল হাঁটছেন রেল লাইন বরাবর। তৃতীয় দফার লক ডাউনের শেষে এসে জীবন বাজি রেখে ঘরে ফেরার তাড়া থাকা শ্রমিকদের থামানোর পথে নামছে জেলা প্রশাসন।

লকডাউনের কারণে বাস-ট্রেন চলাচল বন্ধ। কাজ হারিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা, অর্থাৎ উপার্জনের পথও বন্ধ। তাই তাঁরা বাড়ি ফিরতে চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে তীব্র দাবদাহে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। রেল লাইনে মালগাড়িতে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জন শ্রমিকের। সেই সব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, সব থানাকে বলা হয়েছে রাস্তা বা রেললাইন ধরে হাটা শ্রমিকদের আটক করতে হবে। তাঁদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে এসে রাখতে হবে। খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। নাম পরিচয় জেনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

কয়েক সপ্তাহ আগে পূর্ব বর্ধমান সীমানা লাগোয়া জামালপুরের জৌগ্রামে কয়েকশো শ্রমিককে আটক করেছিল জেলা প্রশাসন। ওড়িশা থেকে পায়ে হেঁটে আসছিলেন অনেকে। গন্তব্য কারও মুর্শিদাবাদ, কারও আসানসোল। কেউ আবার যাবেন বিহার-ঝাড়খণ্ডে। মাথার ওপর গনগনে রোদ। পায়ের তলায় তপ্ত পিচ। তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে। তবুও হাঁটছিলেন তাঁরা। তাঁদের আটকে স্হানীয় স্কুল ঘরে রাখে প্রশাসন। দেওয়া হয় পানীয় জল, খাবার, ওষুধ। কয়েক দিন ছিলেন তাঁরা। দু 'বেলা খাবার দেওয়া হয়েছে। কিনে দেওয়া হয়েছিল নতুন পোশাকও। পরে বাসে চাপিয়ে তাঁদের বাড়ি পাঠানো হয়েছিল।

পরপতাঁদেরও আশ্রয় দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। সময় মতো গাড়ি করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Published by: BISWAJIT SAHA
First published: May 12, 2020, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर