• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ফের প্লাজমা দান করলেন মেট্রোর নির্মাণ সংস্থার কর্মীরা  

ফের প্লাজমা দান করলেন মেট্রোর নির্মাণ সংস্থার কর্মীরা  

তাদের সংস্থার দুই কর্মী শুভ নারায়ণ শাহ ও নিজামুদ্দিন প্লাজমা দান করেছেন আগেই। তারাও বাকিদের বোঝাচ্ছেন প্লাজমা দানের উপকারিতা। তার ফলে আরও দুই কর্মী মারুতা কর ও মনোজ সিং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে প্লাজমা দান করলেন।

তাদের সংস্থার দুই কর্মী শুভ নারায়ণ শাহ ও নিজামুদ্দিন প্লাজমা দান করেছেন আগেই। তারাও বাকিদের বোঝাচ্ছেন প্লাজমা দানের উপকারিতা। তার ফলে আরও দুই কর্মী মারুতা কর ও মনোজ সিং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে প্লাজমা দান করলেন।

তাদের সংস্থার দুই কর্মী শুভ নারায়ণ শাহ ও নিজামুদ্দিন প্লাজমা দান করেছেন আগেই। তারাও বাকিদের বোঝাচ্ছেন প্লাজমা দানের উপকারিতা। তার ফলে আরও দুই কর্মী মারুতা কর ও মনোজ সিং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে প্লাজমা দান করলেন।

  • Share this:

#কলকাতা: ফের প্লাজমা দান করলেন ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। মেট্রো নির্মাণকারী সংস্থার একাধিক কর্মী ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত। অনেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যারা সুস্থ হয়েছেন তাদের অনেকেই প্লাজমা দান করতে ইচ্ছুক। তার মধ্যে দু'জন আগেই কলকাতা মেডিকেল কলেজে গিয়ে প্লাজমা দান করেছেন। নির্মাণ সংস্থা অ্যাফকনসের তরফে দাবি করা হয়েছে, তাদের আরও বেশ কিছু কর্মীকে তারা পাঠাচ্ছেন প্লাজমা দান করার জন্য। তাদের সংস্থার দুই কর্মী শুভ নারায়ণ শাহ ও নিজামুদ্দিন প্লাজমা দান করেছেন আগেই। তারাও বাকিদের বোঝাচ্ছেন প্লাজমা দানের উপকারিতা। তার ফলে আরও দুই কর্মী মারুতা কর ও মনোজ সিং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে প্লাজমা দান করলেন।

লকডাউন অধ্যায়ে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ ছিল মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ। আনলক অধ্যায়ে কাজ শুরু হয়েছিল। যদিও তার মধ্যে বউবাজারের কাজ শুরু হয়ে প্রথমেই থমকে যায়। কারণ কোভিড ১৯ আক্রান্ত হয় এখানে কাজ করা কর্মীরা। ধীরে ধীরে বিভিন্ন জায়গায় প্রকল্পের কাজ যারা করেছিলেন তাদের অনেকেই আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ শুরু হলেও সেই কাজ থমকে যায়। আপাতত কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে  সব প্রকল্পের। এরই মধ্যে যে যে কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের অনেকেই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন সঞ্জয় সিং ও মারুতা কর। অ্যাফকনসের এই দুই কর্মী প্রথমে নিজের বাড়িতেই জানাননি যে তারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়ে ফিরেও আসেন কোম্পানির মেসে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে তারা দেখেন অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা চাইছেন যেন সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিরা প্লাজমা দান করেন। তাদের সংস্থার দুই কর্মী আগেই প্লাজমা দান করেছেন। তার পরেই প্লাজমা দান করা মনঃস্থির করেন মারুতা ও মনোজ। ইতিমধ্যেই কলকাতা মেডিকেল কলেজে তারা প্লাজমা দান করেছেন।

প্লাজমা দানকারী মনোজ সিং জানিয়েছেন, "করোনাকে ভয় পেলে চলবে না। করোনাকে সাহস করে দুরে ঠেলে দিতে হবে। আমি যখন পেরেছি, বাকিরাও পারবে। তবে যারা আমাদের মতো সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্লাজমা দান করুক সবাই তাতে অনেক মানুষের উপকার হবে।" মনোজ ও মারুতার এই কাজে খুশি তার কোম্পানি। সংস্থার ইস্ট ওয়েস্ট প্রকল্পের ম্যানেজার সত্যনারায়ণ কানওয়ার জানিয়েছেন, "আমরা কর্মীদের সমস্ত ধরণের সুবিধা দিয়ে থাকি। আইসোলেশন সেন্টার আমাদের সব সুবিধা আছে। কর্মীদের স্বাস্থ্যের ব্যপারে সমস্ত নজর আমাদের আছে। এরই মধ্যে আমাদের সংস্থার কর্মীরা প্লাজমা দান করছেন এটা আমাদের সংস্থার পক্ষেও দারুণ ব্যপার।"

প্রসঙ্গত এই প্রথম রাজ্যের কোনও নির্মাণ সংস্থার একাধিক কর্মী প্লাজমা দান করলেন। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো নির্মাণের দায়িত্বে থাকা সংস্থা কে এম আর সি এলের তরফে জেনারেল ম্যানেজার অ্যাডমিন এ কে নন্দী জানিয়েছেন, "এটা দারুণ খবর যে রাজ্যের ডাকে আমাদের বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার সাথে যুক্ত কর্মীরা প্লাজমা দান করছেন। এর ফলে আমাদের বাকি কর্মীরা যেমন উৎসাহিত হবেন, তেমনি এই মহামারীর সময়ে আমরা বাকিদের কাজে আসতে পারব।" অ্যাফকনসের আরও কিছু কর্মী প্লাজমা দান করতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

Published by:Pooja Basu
First published: