মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে নৃশংসভাবে খুন বাবা!

গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত ছেলে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত ছেলে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

  • Share this:
#রায়গঞ্জ: মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে খুন বাবা।আটকাতে গিয়ে আহত মা।এই ঘটনাকে কেন্দ্রে করে ব্যাপক  চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে রায়গঞ্জ ব্লকের টেনিহরি গ্রামে। গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত ছেলে ধরে এনে  পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে মরন চন্দ্র দাস দিল্লি থেকে টেনহরি গ্রামে ফেরেন। মরন চন্দ্র দাসের স্ত্রী মালতি দাসের দাবি, দিল্লিতে থাকার সময় থেকেই ছেলের চিকিৎসা চলছিল। এদিন সকালে ছেলেকে দোকান থেলে ডাল কিনে আনতে বললে আচমকাই দাঁ নিয়ে বাবার উপরে চড়াও হয় ছেলে নীলকান্ত। ছেলেকে আটকাতে গেলে মালতী দেবীর হাতেও কোপ বসায় ছেলে। মালতি দেবীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে মরনচন্দ্র দাসকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।ঘটনার পর নীলকান্ত বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।রায়গঞ্জ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায়।প্রতিবেশী ভূট্টা ক্ষেত থেকে তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে।মালতি দেবী জানিয়েছেন,চিৎকার চেচামেচি শুনে ঘরে এসে দেখি ছেলে স্বামীকে দাঁ দিয়ে কোপাচ্ছে। বাধা দিতে গিয়ে তাকেও হাতে দুই কোপ মারে।রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামী মাটিতে পড়ে যায়।বেগতিক দেখে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের জড়ো করি।প্রতিবেশী প্রসেনজিৎ দাস জানান, এলাকার চিৎকার চেচামেচিতে এসে দেখেন মরনচন্দ্র দাস নামে একব্যাক্তি তার ছেলের হাতে খুন হয়ে মাটিতে পড়ে আছেন।সঙ্গে সঙ্গে তারা পুলিশকে খবর দেন।সেই সঙ্গে মৃতের ছেলে নীলকান্ত দাস সেখান থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে তাকে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। Uttam Paul
Published by:Elina Datta
First published: