corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানে স্থানীয়দের প্রবল ক্ষোভ, সংক্রমণ ঠেকাতে এলাকা ঘিরল পুলিশ

বর্ধমানে স্থানীয়দের প্রবল ক্ষোভ, সংক্রমণ ঠেকাতে এলাকা ঘিরল পুলিশ
জনতা পুলিশের তীব্র বচসা বর্ধমানে।

এলাকার বাসিন্দাদের আপত্তিতে কর্ণপাত না করে ওই আক্রান্তের বাড়ি ও তার আশপাশ এলাকা-সহ রাস্তা বাঁশের ব্যারিকেড করে আটকে দিয়েছে পুলিশ।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলায় কন্টেইনমেন্ট জোন করতে গিয়ে বাসিন্দাদের বাধার মুখে পড়ল পুলিশ। বর্ধমান রেল স্টেশন সংলগ্ন লোকো এলাকার পাশে শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুধুমাত্র আক্রান্তের বাড়ি সিল না করে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা আটকে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করেই ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা।

তবে এলাকার বাসিন্দাদের আপত্তিতে কর্ণপাত না করে ওই আক্রান্তের বাড়ি ও তার আশপাশ এলাকা-সহ রাস্তা বাঁশের ব্যারিকেড করে আটকে দিয়েছে পুলিশ। স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্য, এলাকায় অনেকের দেহেই করোনায সংক্রমণ মিলেছে। তাই বাকি বাসিন্দাদের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেলার অন্যান্য অংশের পাশাপাশি বর্ধমান শহরেও ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। গত চব্বিশ  ঘন্টায় এই শহরের দশ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা একশোর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। জেলাজুড়ে ১৭৭টি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্যে বর্ধমান শহর এলাকায় ১৯ কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে। জেলায় দশ জনের মৃত্যুও হয়েছে। তার মধ্যে বর্ধমান শহর এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ছয় জনের। এই পরিস্থিতিতে কন্টেইনমেন্ট জোন করা নিয়ে বাসিন্দাদের আপত্তিকে অসচেতনতার পরিচয় বলে মনে করছে জেলা প্রশাসনের একাংশ।

তাদের বক্তব্য,বাসিন্দাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই আক্রান্তের বাড়ির আশপাশ এলাকা বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। ওই এলাকার আশপাশে আরও কয়েকজনের ইতিমধ্যেই করানোর সংক্রমণ মিলেছে। তাই প্রশাসন কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না। কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কার বদলে যাতায়াতের সমস্যা কেই বড় করে দেখছেন বাসিন্দাদের একটা  অংশ। প্রশাসনের এক কর্তা জানান, এখন করোনা সংক্রমণ থেকে বাসিন্দাদের রক্ষা করাই মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তায় ব্যারিকেড দেওয়ায় কিছুদিন হয়তো বাসিন্দাদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে। কিন্তু তাতে অনেকেই হয়তো করোনার  সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাবেন। তাই সাময়িক এই সমস্যা বাসিন্দাদের মানিয়ে নেওয়া উচিত।

বাসিন্দারা বলছেন, রাজ্যের নয়া নির্দেশিকায় কন্টেইনমেন্ট জোনের এরিয়া অনেক ছোট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখানে আক্রান্তের বাড়ি সিল করার বদলে পুরো এলাকায় সিল করে দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। ফলে বাসিন্দাদের সমস্যা,দুর্ভোগ বাড়ছে। তাঁদের কথায়, "আমরা কন্টেইনমেন্ট  জোনের বিপক্ষে নই। কিন্তু  এলাকার বিভিন্ন অংশের বাসিন্দাদের সমস্যার কথা, তাদের যাতায়াতের বিষয়টিও প্রশাসনের ভেবে দেখা উচিত।"

Published by: Arka Deb
First published: July 28, 2020, 9:03 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर