corona virus btn
corona virus btn
Loading

#Coronavirus। উচ্চমাধ্যমিক দিতে এসেও করোনার ভয়, হাতে মাস্ক পেল ছাত্রছাত্রীরা

#Coronavirus। উচ্চমাধ্যমিক দিতে এসেও করোনার ভয়, হাতে মাস্ক পেল ছাত্রছাত্রীরা
ছাত্রছাত্রীদের মাস্ক পরানো হচ্ছে।

গোপালনগর এলাকার বৈরামপুর হাই স্কুল, অম্বিকাপুর হাইস্কুল, ব্যাসপুর হাইস্কুল,মানিকখোল হাইস্কুল ও সাতবাড়িয়া হাইস্কুল- এই পাঁচটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা দিতে আসছে।

  • Share this:

#বনগাঁ: স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করেছে সরকার। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সে গুলি বন্ধ থাকবে। রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে সারা বিশ্বে।  এইরকম পরিস্থিতিতে উচ্চমাধ্যমিক সহ বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা চালু রেখেছে সরকার। নিরুপায় ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে ট্রেন ও বাস তো ব্যবহার করতেই হচ্ছে। তার পর পরীক্ষা কেন্দ্রে লাইন দিয়ে ঢুকতে হচ্ছে। ফলে করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক থেকেই যায় বলে দাবি উত্তর চব্বিশ পরগণার বনগাঁর গোপালনগর হরিপদ ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রতাপ চন্দ্র রায়ের।

গোপালনগর এলাকার বৈরামপুর হাই স্কুল, অম্বিকাপুর হাইস্কুল, ব্যাসপুর  হাইস্কুল,মানিকখোল হাইস্কুল ও সাতবাড়িয়া হাইস্কুল-  এই পাঁচটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা দিতে আসছে। ২১৬ জন ছাত্রছাত্রীর হরিপদ ইন্সস্টিটিউটে সিট পড়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপের এই সময় ছাত্র ছাত্রীদের কথা ভেবে স্কুল পরিচালন কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করেন স্কুলে প্রধান শিক্ষক।তার পর ঠিক হয় এই স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত সকলকে মাস্ক দেওয়া হবে। সেই মতো এ দিন সকালে বায়োলজি বা অন্য বিষয়ে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রছাত্রীদের মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এ দিন সকালে গোপালনগর হরিপদ ইন্সটিটিউটের গেটের সামনে লাইনটা ছিল বেশ লম্বা। কারণ করোনার প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ১ মিটার ব্যবধানে দাঁড়াতে হয়েছে। তার সঙ্গে লাইন দিয়ে স্কুলে ঢোকার সময় তাদের হাতে নতুন মাস্কের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। গোপালনগর হরিপদ ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দাবি, শুধু ছাত্রছাত্রী নয়, পরীক্ষা কেন্দ্রে পাহারার দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে স্কুলের অশিক্ষক ও শিক্ষক সবাইকেই মাস্ক দেওয়া হয়েছে।মধুচন্দ্রা সিকদার নামে এক পরীক্ষার্থীর কথায়, 'একে তো পরীক্ষার টেনশন তার উপর করোনা ভাইরাসের ভয়।সবমিলিয়ে ভয়ে ভয়ে পরীক্ষা দিতে আসতে হচ্ছিল। এই পরীক্ষা কেন্দ্রে মাস্ক পেয়ে কিছুটা আশ্বস্ত হতে পারছি।' আর এক ছাত্র অতনু বিশ্বাস জানায়, 'জীবনের এত বড় পরীক্ষা। একটি বড় পরীক্ষা কেন্দ্র স্বাভাবিক ভাবেই অনেকের মধ্যে মিশে পরীক্ষা  দিতে হচ্ছে। তাই এই স্কুল কর্তৃপক্ষ অন্য স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য এতটা ভেবেছে, সেটাই তাদের বড় পাওনা।'

RAJARSHI ROY

Published by: Debamoy Ghosh
First published: March 16, 2020, 2:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर