‘করোনা ভাইরাস আসছে’, ৮ বছর আগেই জানতেন এই টুইটারেত্তি!

করোনাভাইরাস নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন জনৈক নেটিজেন৷ ২০১৩ সালে তাঁর করা টুইট বার্তা নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে৷

করোনাভাইরাস নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন জনৈক নেটিজেন৷ ২০১৩ সালে তাঁর করা টুইট বার্তা নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে৷

  • Share this:

    দেড় বছর ধরে ‘নিউ নর্মাল’-এ অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সারা বিশ্ব৷ অতিমারির দাপটে এই নব্য স্বাভাবিক ব্যবস্থায় আমাদের নিত্যসঙ্গী এখন ‘করোনা ভাইরাস’, ‘স্যনিটাইজার’, ‘মাস্ক’-এর মতো শব্দবন্ধ৷ অতিমারির দ্বিতীয় তরঙ্গে ভারত বিপর্যস্ত৷ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশেই নরমেধ যজ্ঞ এখনও চালাচ্ছে মারণ ভাইরাস৷ দেড় বছর আগে জনজীবনে যোগ হয়েছে করোনা ভাইরাসের নাম৷ কিন্তু যদি জানা যায়, যে আট বছর আগেই করোনা ভাইরাসের পূর্বাভাস মিলেছিল৷ নস্ত্রাদামুসের মতো কোনও জ্যোতিষী নন৷ করোনাভাইরাস নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন জনৈক নেটিজেন৷ ২০১৩ সালে তাঁর করা টুইট বার্তা নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে৷

    ২০১৩-র ৩ জুন জনৈক মার্কো টুইটারে ইংরেজিতে যা পোস্ট করেছিলেন, তার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘ করোনা ভাইরাস...এটা আসছে’৷

    সে সময় তাঁর পোস্টের যা অভিঘাত ছিল, তার তুলনায় আজ কয়েকশো গুণ বেড়েছে এর প্রভাব৷ নেটমাধ্যমে এই পুরনো পোস্ট নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে৷

    কিন্তু এই পোস্টের অর্থ কী? টুইটারেত্তি মার্কো কি সত্যি জানতেন অতিমারির সম্ভাবনা? এখনও পর্যন্ত এই সমাপতনের যা ব্যাখ্যা এসেছে, তা থেকে অনুমান করা হচ্ছে মার্কো তাঁর টুইটে সাধারণ করোনা গোষ্ঠীর জীবাণুর কথাই বলেছিলেন৷ নির্দিষ্ট ভাবে কোভিড ১৯-এর কথা নয়৷ কারণ তিনি যে সময় পোস্ট করেছিলেন তখনও ২০১৯ সাল আসতে ৬ বছর বাকি৷ এবং ‘কোভিড ১৯’ জীবাণুর জন্মও ভবিষ্যতের গর্ভে৷

    নেটাগরিকরা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মার্কোর টুইটার হ্যান্ডলে. কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তিনি ২০১৬-র ১১ ডিসেম্বরের পরে আর টুইট করেননি৷ শেষ টুইটও ছিল নিছক একটি হাসিমুখ ইমোজির৷

    প্রসঙ্গত ২০১৩ সালের আগেই বিজ্ঞানীমহলে প্রচলিত ছিল ‘করোনাভাইরাস’ নামটি৷ সে সময় নির্দিষ্ট অসুখের গোষ্ঠীর জন্য এটা ছিল ‘জেনেরিক নেম’৷ এখন ঘটনাচক্রে এটি অতিমারির নেপথ্যনাম৷

    মার্কোর পুরনো টুইট ঘিরে মিমে ছয়লাপ নেটমাধ্যম৷ তার মাঝেই কিছু নেটিজেন সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে মার্কো টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে পোস্টের তারিখ ও সময় পাল্টেছেন৷ তিনি ২০১৬ সালের পরে আর কিছু টুইট না করায় অনেকেই সন্দেহও প্রকাশ করেছেন৷

    তবে মার্কোর এই টুইট গত বছরও চর্চিত ছিল নেটমাধ্যমে৷ পাশাপাশি আলোচনা হয়েছিল রহস্য উপন্যাস ‘দ্য আইজ অব ডার্কনেস’ নিয়েও৷ ১৯৮১ সালে ডিন কুন্টজের লেখা এই উপন্যাসে ‘উহান ৪০০’ নামে একটি জীবাণুর কথা আছে৷ উপন্যাসের পটভূমি অনুসারে চিনের সেনবাহিনী এই জীবাণু তৈরি করেছিল গবেষণাগারে৷ জৈব অস্ত্র তৈরির সেই কারখানা উপন্যাসের পাতায় ছিল চিনের উহানেই৷ এই সমাপতনও ছিল নেটাগরিকদের আলোচনার বিষয়৷ অতিমারির ভয়াল সময়ে নিজেদের মতো করেই হালকা মুহূর্ত তৈরি করে নিচ্ছে নেটমাধ্যম৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: