পুলিশে ধরলেই অজুহাত তৈরি, মাস্ক পড়তে অনীহা বহু বীরভূমবাসীর

কাণ্ডজ্ঞানহীনতার মাশুল কে দেবে?

স্বাস্থ্যবিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে রাস্তায় ঘুরছেন বহু সাধারণ মানুষ।

  • Share this:

#বীরভূম: ইতিমধ্যেই বীরভূমে জেলার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩০ ছাড়িয়েছে। কিন্তু তারপরেও স্বাস্থ্যবিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে রাস্তায় ঘুরছেন সাধারণ মানুষ। শনিবার সিউড়ি টিনবাজার, বাসস্টান্ড, মসজিদ মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা গেল রাস্তায় প্রচুর মানুষ। সামাজিক দূরত্ব তো দূরের কথা তাঁদের বেশ কয়েকজনের মুখে মাস্কও নেই। একই চিত্র দেখা গিয়েছে সিউড়ির বড়বাগান, মাদ্রাসা রোড, -সহ অন্যান্য এলাকায়।

শহরবাসীর একাংশের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে সিউড়ি শহরের রাস্তায় চোখে পড়ার মত ভিড় হচ্ছে। এমনকী কোথাও কোথাও তো যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে৷ তাঁদের আরও দাবি, লকডাউনের প্রথম দিকে পুলিশের ধড়পাকড়ের চোটে মানুষ বাড়ি থেকে বেরোনো বন্ধ করে দিয়েছিল। কিছু মানুষ কারণে অকারণে বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছিলেন ঠিকই। কিন্তু তাঁদেরকে জায়গায় জায়গায় পুলিশের তল্লাশির মুখে পরতে হয়েছিল।

কিন্তু ফের সেই ঢিলেঢোলা ভাব দেখে গতকাল থেকে নতুন করে পুলিশি অভিযান শুরু হয়।  মাস্ক না পরলেই কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল সেই নির্দেশ মেনেই সিউড়ির বিভিন্ন এলাকার পুলিশি অভিযান শুরু হয়। নেতৃত্বে ছিলেন জেলার ডি এস পি ( ডিএন্ড টি)।  সিউড়ি থানার আই সি।

দেখা যায়, দোকানপাট খুলে যাওয়ায় মানুষ কারণে অকারণে বাড়ির বাইতে বেরোতে শুরু করেন। ফলে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এ দিন কেবল সিউড়ির বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশকে তল্লাশি চালাতে দেখা যায়।  যাঁদের মুখে মাস্ক ছিল না তাঁদের মাস্ক পরতে বলা হয়। যাঁর কাছে মাস্ক ছিল না তাঁদেরকে মাস্ক কেনানো হয়। শহরবাসীর একাংশের অভিযোগ, দায়িত্বজ্ঞানতার কারণেই জেলায় সংক্রমণ বেড়েই চলছে।

Published by:Arka Deb
First published: