Corona Bed Shortage in Hospital: শ্বাসকষ্টে বাইক থেকে পড়ে যাচ্ছিলেন, ৩ হাসপাতাল ঘুরে স্বামীর হাহাকার, 'ও মরেই যাবে, দয়া করে ভর্তি নিন'

Corona Bed Shortage in Hospital: শ্বাসকষ্টে বাইক থেকে পড়ে যাচ্ছিলেন, ৩ হাসপাতাল ঘুরে স্বামীর হাহাকার, 'ও মরেই যাবে, দয়া করে ভর্তি নিন'

মুমূর্ষু স্ত্রীকে নিয়ে অসহায় স্বামী দিল্লির হাসপাতালে। সংগৃহীত ছবি।

হাসপাতালে (Covid Hospital) বেড নেই, একে একে আক্রান্ত (Corona Positive) হচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা, তার ওপরে অক্সিজেনের (Oxygen) ঘাটতি...সব মিলিয়ে নরক যন্ত্রণা ভোগ করছেন রাজধানীর (Delhi) মানুষ।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লিঃ করোনা (Coronavirus) সুনামিতে উথালপাথাল দেশের (COVID 19 India) পরিস্থিতি। ভয়াবহ অবস্থা দিল্লি (Delhi), মহারাষ্ট্র (Maharashtra), পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal)। তার ওপরে অক্সিজেনের (Oxygen) সংকট, পরিস্থিতি আরও জটিল থেকে জটিলতর করে তুলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Health Ministry) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের (Civid Positive) সংখ্যা ৩ লক্ষ ১৪ হাজারেরও কিছু বেশি। তার মধ্যে দিল্লিতেই আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজার। হাসপাতালে বেড নেই, একে একে আক্রান্ত হচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা, তার ওপরে অক্সিজেনের ঘাটতি...সব মিলিয়ে নরক যন্ত্রণা ভোগ করছেন রাজধানীর মানুষ।

    দিল্লির লোক নায়ক জয় প্রকাশ করোনা (Lok Nayak Jai Prakash) হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিল ধারণের জায়গা নেই। অ্যাম্বুল্যান্স-সহ অন্যান্য গাড়ির যাতায়াতের মধ্যেই এমন বেশ কিছু দৃশ্য সামনে এসেছে, যা দেখলে চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না। তার মধ্যে অন্যতম রুবি খান এবং তাঁর স্বামীর অসহায়তা। বছর ৩০-র রুবির শরীরে দিন কয়েক ধরেই করোনার উপসর্গ ছিল। বাড়িতেই ছিলেন করোনা বিধি মেনে। কিন্তু এ দিন সকাল থেকেই শুরু হয় প্রবল শ্বাসকষ্ট। স্বামী আসলাম খান অবস্থা বেগতিক বুঝে কোনও সময় নষ্ট না করে স্ত্রীকে বাইকের পিছনে বসিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য বেরিয়ে পড়েন। লোক নায়কই দিল্লির সব থেকে বড় করোনা হাসপাতাল।

    কিন্তু এ দিন রাজধানীর তিনটি হাসপাতালে ঘুরে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন আসলাম। শেষে লোক নায়ক হাসপাতালে পৌঁছে সেখানেও স্ত্রীকে ভর্তি নিতে না চাইলে হাউ হাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রলাপের মতো বলতে শুরু করেন, "বউটা এ বারে মরে যাবে। দয়া করে ভর্তি নিন।" NDTV-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসলাম কাঁদতে কাঁদতে জানান, "আমি ওঁদের পায়ে ধরতেও রাজি। ওঁরা বলছে, কোনও বেড নেই। আমি কি ওঁকে মাটিতে রেখে দেব বিনা চিকিৎসায়? চোখের সামনে মরে যেতে দেখব?" যদিও শেষ পর্যন্ত রুবির কি হয়েছে, আদৌ সে চিকিৎসা পেয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। কিন্তু এটা শুধুমাত্র রুবি নয়, প্রতিদিন হাজার হাজার রোগীর রুবির মতোই চিকিৎসার অভাবে ভুগছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: