Home /News /coronavirus-latest-news /
আনলক শুরু হতেই হাওড়ায় কাজে গিয়ে করোনা নিয়ে ফিরলেন ভাতারের যুবক!

আনলক শুরু হতেই হাওড়ায় কাজে গিয়ে করোনা নিয়ে ফিরলেন ভাতারের যুবক!

গতকাল পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ১৪৩ জন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজ নতুন করে তিন জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: কাজ করতেন হাওড়ায়। লকডাউনে কাজ হারিয়ে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে বাড়ি ফিরেছিলেন এক যুবক। আনলক ওয়ানের হাত ধরে কাজকর্ম স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করায় রুজির টানে ফের গিয়েছিলেন হাওড়ায়। সেখানে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন তিনি। ওই ব্যক্তি ভাতারের ছাতনি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি করোনা আক্রান্ত হওয়ায়  উদ্বিগ্ন আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য করোনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর বাড়ির সদস্য এবং তাঁর সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাঁদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রেখে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, গতকাল পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ১৪৩ জন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজ নতুন করে তিন জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। এদের মধ্যে এক জন ভাতারে ছাতনি গ্রামের বাসিন্দা। বাকি দু’জন জামালপুর ও মেমারি দু’নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। এই দু’জন সম্প্রতি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মহারাষ্ট্র থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। তাঁদের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তাতেই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

তবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনার নমুনা পরীক্ষা অনেক কম হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, জেলার কেতুগ্রাম কাটোয়া মঙ্গলকোট পূর্বস্থলী মন্তেশ্বর সহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারে হাজারে পরিযায়ী শ্রমিকরা করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলি থেকে ফিরেছেন। তাঁদের অনেকেরই নমুনা পরীক্ষা হয়নি। ওইসব এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের করোনার নমুনা পরীক্ষা হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা। বাসিন্দারা বলছেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা অনেকেরই উপসর্গ না থাকলেও তাঁদের দেহে  করোনার সংক্রমণ থাকতে পারে এবং তা থেকে অন্যদের শরীরে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এলাকার করোনা সংক্রমণ চিহ্নিত করতে প্রচুর সংখ্যক পরীক্ষা জরুরি।  তেমন হলে এলাকা ধরে ধরে অনেকের নমুনা একসঙ্গে  নিয়ে পরীক্ষা করা যেতে পারে। কিন্তু তেমন কোনও উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তাঁরা বলছেন, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অন্যদিকে এই জেলায় নমুনা সংগ্রহ বা তার পরীক্ষা দিন দিন কমছে। জেলা প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, প্রতিদিনই বাড়ছে গড়ে সাড়ে তিনশো নমুনা সংগ্রহ ও তা পরীক্ষার কাজ চলছে এই জেলায়।

Published by:Simli Raha
First published:

Tags: Bhatar, Coronavirus

পরবর্তী খবর