• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ঠিক মতো বেতন, করোনা বিধি মানা হচ্ছে? শ্রম দফতরকে আচমকা হানার নির্দেশ মমতার

ঠিক মতো বেতন, করোনা বিধি মানা হচ্ছে? শ্রম দফতরকে আচমকা হানার নির্দেশ মমতার

বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে করোনা পরিস্থিতি পুজোর গাইডলাইন নিয়ে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেই মঞ্চ থেকেই পুজোর কর ছাড়ের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ৷ তিনি বলেন, চলতি বছর মহামারী এবং করোনা রুখতে লকডাউনের কারণে প্রভাব পড়েছে মানুষের আয়ে ৷ সেজন্য এবছর তেমনভাবে বিজ্ঞাপনও তুলতে পাবেন না পুজো কমিটিগুলি ৷ তাই সেই কথা ভেবেই রাজ্যসরকারের তরফে এই অনুদান ৷

বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে করোনা পরিস্থিতি পুজোর গাইডলাইন নিয়ে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেই মঞ্চ থেকেই পুজোর কর ছাড়ের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ৷ তিনি বলেন, চলতি বছর মহামারী এবং করোনা রুখতে লকডাউনের কারণে প্রভাব পড়েছে মানুষের আয়ে ৷ সেজন্য এবছর তেমনভাবে বিজ্ঞাপনও তুলতে পাবেন না পুজো কমিটিগুলি ৷ তাই সেই কথা ভেবেই রাজ্যসরকারের তরফে এই অনুদান ৷

নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা অভিযোগ করেন, কলকাতা লাগোয়া জেলাগুলিতে অনেক কারখানাতেই কর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব না মেনেই কাজ করানো হচ্ছে৷

  • Share this:

    #কলকাতা: রাজ্যের যে কল কারখানাগুলি খুলেছে, সেখানে ঠিক মতো শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হচ্ছে কিনা তা জানতে আচমকা হানা দেবে শ্রম দফতর৷ এ দিন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুধু বেতনই নয়, কারখানাগুলিতে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী পারস্পরিক দূরত্ব মেনে শ্রমিকদের কাজ করানো হচ্ছে কিনা, তাও দেখার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

    এ দিন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা অভিযোগ করেন, কলকাতা লাগোয়া জেলাগুলিতে অনেক কারখানাতেই কর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব না মেনেই কাজ করানো হচ্ছে৷ যার ফলে ওই কারখানাগুলিই করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্র হয়ে উঠছে৷ ফলে এই ধরনের কারখানাগুলিতে আচমকা হানা দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি৷

    এর পরই শ্রম দফতরের অফিসারদের রাজ্যের কল কারখানাগুলিতে আচমকা হানা দেওয়ার জন্য শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটককে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ যে সংস্থা বা কারখানাগুলি খোলা রয়েছে, সেখানে বেতন বা পারিশ্রমিক ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে কিনা, সেই খোঁজখবর নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি৷ চা বাগান এবং চটকলগুলির উপরে বিশেষ নজর দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শ্রম দফতরের অধীনে কতজন অফিসার আছেন, শ্রমমন্ত্রীর থেকে তাও জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

    শ্রমমন্ত্রীর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'শ্রম দফতর শ্রমিকদের বাঁচার জায়গা৷ শ্রমিকদের যত সাহায্য করতে পারব, পরিবারগুলি বাঁচবে৷ এটা আমাদের বড় দায়বদ্ধতার জায়গা৷' শ্রমমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যথাযথ কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও সরকারি কোনও অনুমতির জন্য কোনও কারখানা যাতে বন্ধ না হয়ে থাকে, তা যেন নিশ্চিত করা হয়৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: