Coronavirus Vaccine: ভ্যাকসিন নিতে চান না হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই! নতুন ছক কষল কংগ্রেস?

Coronavirus Vaccine: ভ্যাকসিন নিতে চান না হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই! নতুন ছক কষল কংগ্রেস?

মল্লিকার্জুন খাড়গে ও অনিল ভিজ

তিনি আরও বলেছেন যে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টিকাকরণ কর্মসূচি চালাচ্ছে ভারত। দিনে দিনে এই কর্মসূচি আরও ব্যাপক হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ২৯ লক্ষ মানুষ টিকা নেবেন বলে নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন বলে দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দেশের নাগরিকদের দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত টিকা সংগ্রহ করেছে সরকার, তাই করোনাভাইরাস মোকাবিলায় টিকাকরণ কর্মসূচিতে কোনও রকম ঘাটতি হবে না। সোমবার এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। তিনি আরও বলেছেন যে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টিকাকরণ কর্মসূচি চালাচ্ছে ভারত। দিনে দিনে এই কর্মসূচি আরও ব্যাপক হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ২৯ লক্ষ মানুষ টিকা নেবেন বলে নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন বলে দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।

    ভারতে করোনাভাইরাসের টিকাকরণের দ্বিতীয় দফা শুরু হয়েছে পয়লা মার্চ থেকে। এই দফায় ৬০ বছরের উপরের ব্যক্তি ও ৪৫ বছরের ব্যক্তি যাঁদের কোনও না কোনও কোমর্বিডিটি রয়েছে তাঁদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর হর্ষবর্ষণ কোভ্যাক্সিনের টিকা নিয়ে ফেলেছেন। টিকা নিয়েছেন উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ আরও একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সোমবার ভ্যাকসিন নিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও।

    এবার একে একে পালা রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতা-নেতৃদের টিকা নেওয়ার। বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন টিকা নিতে তিনি আগ্রহী। যদিও তাঁর দাবি, 'আমার ৭০ বছরের উপর বয়স। আপনাদের টিকা দেওয়া উচিত দেশের যুব সম্প্রদায়কে, যাতে তাঁদের জীবন সুরক্ষিত হয়। আমি খুব বেশি হলে আর ১০ থেকে ১৫ বছর বাঁচব। নবীন প্রজন্মের সামনে গোটা জীবন পরে। আমিও নেব টিকা।' মনে করা হচ্ছে, আগামী ৮ মার্চ সংসদ খোলার আগেই প্রায় অর্ধেক সাংসদের টিকাকরণ হয়ে যাবে। কারণ ভারতের ৭৭৭ জন সাংসদের ৩৬৬ জনই ৬০ বছরের উপরে বয়স।

    অন্যদিকে, হরিয়ানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনিল ভিজ সাফ জানিয়েছেন, তিনি করোনার টিকা নিতে চান না। কারণ, গত ডিসেম্বরে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শরীরে করোনা মোকাবিলার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে এবং তার কাউন্ট রয়েছে প্রায় ৩০০। গত নভেম্বরে তৃতীয় ট্রায়ালের সময় কোভ্যাক্সিনের একটি ডোজ তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। তার পরে মাসে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। ৬৬ বছরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্যুইটে লিখেছেন, 'করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। কারও এ নিয়ে আর চিন্তা করার কিছু নেই। আমি এই টিকা নিতে পারব না, কারণ আমার একটি ডোজ নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি রয়েছে প্রায় ৩০০। ট্রায়াল ভ্যাকসিনের কারণেই হয়তো এটা হয়েছে। আমার আর এই মুহূর্তে টিকার প্রয়োজন নেই।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: