corona virus btn
corona virus btn
Loading

২ রোগী করোনা পজিটিভ, আতঙ্কে বন্ধ RG করের মেল মেডিসিন ওয়ার্ড

২ রোগী করোনা পজিটিভ, আতঙ্কে বন্ধ  RG করের মেল মেডিসিন ওয়ার্ড

NRS- এর পর বন্ধ RG করের মেল মেডিসিন ওয়ার্ড

  • Share this:

#কলকাতা: এ যেন একদমই শিয়ালদহ এনআরএস হাসপাতালের ঘটনারই পুনরাবৃত্তি। এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে বেলগাছিয়ার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আতঙ্কের জেরে লাটে উঠেছিল চিকিৎসা পরিষেবা। হাসপাতালের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে শুরু করে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা আতঙ্কে কাঁটা হয়ে গিয়েছিল। রোগী থেকে রোগীর আত্মীয়রা, প্রত্যেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। এর মাঝে নতুন বিপত্তি, পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন থাকা দুই ব্যক্তির করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর মেলে। এর মধ্যে বেলগাছিয়ার বাসিন্দা হজ থেকে ফেরা এক বৃদ্ধের মৃত্যুও হয়। মৃত্যুর পর তাঁর শরীরে করোনা সংক্রমণের খবর মেলে। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অন্য এক ব্যক্তির রিপোর্টেও করোনা পজিটিভ আসে। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। কারণ এই ২ জন যখন ভর্তি হয়, তখন তাঁদের কোনও করোনা উপসর্গ অর্থাৎ জ্বর,সর্দি,কাশি,শ্বাসকষ্ট কিছুই ছিল না। বুধবার থেকে এদের করোনা উপসর্গ দেখতে পাওয়া যায়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সী এক যুবক হিমোফিলিয়া আক্রান্ত হয়ে শিয়ালদহ এনআরএস হাসপাতালের জেনারেল মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার দুদিন পর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বা সি সি ইউ তে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর লালা রস বা সোয়াবের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় বেলেঘাটা নাইসেডে। গত শনিবার ওই যুবকের মৃত্যু হয় । মৃত্যুর পরে তাঁর নমুনা থেকে জানা যায়, যুবক করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এরপরই হুলুস্থুলু পড়ে যায় গোটা হাসপাতাল জুড়ে। তড়িঘড়ি ওই যুবকের যাঁরা চিকিৎসা করছিলেন, সেই চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী-সহ মোট ৭৩ জনকে কোয়ারেন্টাইন বা গৃহ পর্যবেক্ষণে পাঠানো হয়। প্রত্যেকের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।বুধবার সকালে জানা যায় প্রত্যেকেই রিপোর্ট নেগেটিভ অর্থাৎ কেউ করোনা আক্রান্ত হননি। স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষের। তবে রবিবার রাত থেকেই এন আর এস হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ড,যেখানে ১৪০ টি বেড ছিল, সেটি এবং ১৬ বেডের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বা সিসিইউ সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়। মেইল মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং সিসিইউ'তে যে রোগীরা চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে অন্যত্র আইসোলেশনে পাঠানো হয়। গোটা মেল মেডিসিন ওয়ার্ড এবং সি সি ইউ জীবাণুমুক্ত বা স্যানিটাইজ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারো সাধারণের জন্য এই মেল মেডিসিন বিভাগ খুলে দেওয়া হয়। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটও সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যায়।

আরজিকর হাসপাতাল মেল মেডিসিন ওয়ার্ড জীবাণুমুক্ত বা স্যানিটাইজ করার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল। আগামী দুদিন এই কাজ চলবে। মেডিসিন বিভাগের রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে। চিকিৎসক,নার্স,স্বাস্থ্যকর্মীদের চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইন বা গৃহ পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

AVIJIT CHANDA

Published by: Rukmini Mazumder
First published: April 11, 2020, 1:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर