Mahua Moitra on EC : 'জীবনের থেকেও বড় প্রচারের অধিকার?' মমতার সুরেই বিজেপি-কমিশনকে জোড়া তোপ মহুয়ার!

Mahua Moitra on EC : 'জীবনের থেকেও বড় প্রচারের অধিকার?' মমতার সুরেই  বিজেপি-কমিশনকে জোড়া তোপ মহুয়ার!

মহুয়া মৈত্র।

'পি এম কেয়ারস' হাস্যকর মরীচিকা : মহুয়া মৈত্র

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : "একদিনে নির্বাচন করে দিন, মানুষের জীবন নিয়ে খেলবেন না। বিজেপির কথায় চলবেন না।" হেমতাবাদ নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে এমনই আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই একই সুরে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কোভিড পরিস্থিতিতেও ভোটের দফা না-কমানোয় নির্বাচন কমিশনকে ফের একহাত নিলেন মহুয়া৷ ভোটারদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে বিজেপি কী ভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি ৷

    সোমবার একটি ট্যুইটে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মহুয়া মৈত্র ৷ তিনি লিখেছেন, "কেন নির্বাচন কমিশন আমাদের সবাইকে মেরে ফেলতে নাছোড়বান্দা হয়ে রয়েছে ? কেন অতিমারি আইন জারি করা হচ্ছে না আর ভোটগ্রহণ একসঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে না ?" শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়, করোনার আবহে প্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিজেপির বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন তৃণমূল সাংসদ ৷ তিনি লিখেছেন, "কীভাবে ভোটারদের জীবনের অধিকারের থেকে প্রার্থীদের প্রচারের অধিকারকে উপরে রাখছে বিজেপি?" করোনাকালে গঠিত হওয়া প্রধানমন্ত্রীর তহবিল 'পিএম কেয়ারস'কেও তুলোধোনা করেছেন মহুয়া ৷ তিনি টুইটে লিখেছেন, "পিএমকেয়ারস হল একটা হাস্যকর মায়া৷"

    কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সর্বদলীয় বৈঠকে নির্বাচন কমিশনকে তৃণমূল প্রস্তাব দিয়েছিল বাকি দফার ভোট এক বা দু দিনে করে দেওয়া হোক ৷ বিজেপি ছাড়া অন্যান্য দলগুলিরও তাতে আপত্তি ছিল না ৷ যদিও কমিশন সেই পথে না-হেঁটে, প্রচারের সময়সীমা কমিয়েছে ৷ তবে ভোটের দফা কমানো হয়নি ৷

    রাজ্যের চলতি বিধানসভা নির্বাচনে আর তিনটে দফার ভোট বাকি রয়েছে। এরইমধ্যে সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও করোনা পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে দুই বা এক দফায় ভোট সেরে ফেলতে কমিশনের কাছে আর্জি তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হেমতাবাদে তৃণমূলের ভোটের প্রচার সভা থেকে তিনি বলেছেন, কমিশনকে হাতজোড় করে অনুরোধ করব, একদিনে নির্বাচন করে দিন, মানুষের জীবন নিয়ে খেলবেন না। বিজেপির কথায় চলবেন না।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর