Covid Second Wave: ‘‘আমাদের হাত পা বাঁধা, আগে কখনও এমন দেখিনি’’- কাঁদতে কাঁদতে বললেন ডাক্তার

Covid Second Wave: ‘‘আমাদের হাত পা বাঁধা, আগে কখনও এমন দেখিনি’’- কাঁদতে কাঁদতে বললেন ডাক্তার

2.94 lakh fresh cases of coronavirus registered on Tuesday -Photo- File

করোনা ভাইরাস অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ প্রথম বারের চেয়েও প্রবল এবং ভয়ঙ্কর আকারে আছড়ে পড়েছে ভারতে৷

  • Share this:

    #মুম্বই: সারা দেশে হাসপাতালের অভাব, বেড অমিল, অক্সিজেন নেই, ভেন্টিলেটরও মিলছে না৷ এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে (Covid 19 Second Wave)  রোজই নতুন নতুন আক্রান্তের সংখ্যার রেকর্ড গড়ছে ৷ মঙ্গলবার সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ২.৯৪ লক্ষ৷ এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২০২০ জনের৷ মহারাষ্ট্র ও দিল্লি (Coronavirus in Maharashtra) সবচেয়ে খারাপ প্রভাব ভুগছে এই মারণ অতিমারির৷ ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইয়ের চিকিৎসা পরিষেবা ভেঙেচুরে গেছে৷ করোনা আক্রান্তরা অক্সিজেন এবং ওষুধের অভাবে ছটফট করতে করতে মারা যাচ্ছেন৷ আর চিকিৎসকরা সব হাত পা বাঁধা৷ তাঁদের হাতেও কোনও বিকল্প নেই যাতে তাঁরা রোগীদের বাঁচাতে পারেন৷ এরইমধ্যে ইনফিশিয়স ডিজিস ফিজিশিয়ান তৃপ্তি গিলাডা (Dr Trupti Gilada) এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে৷

    ভিডিওতে ডক্টর তৃপ্তি গিলা়ডা কাঁদছেন, তিনি বলেছেন ‘আরও অনেক চিকিৎসকদের মতো তিনিও অসহায়, মুম্বইয়ের পরিস্থিতি খুব খারাপ৷ সেখানের হাসপাতালে কোনও জায়গা নেই৷ আইসিইউতে কোনও জায়গা নেই৷ আমরা এর আগে এমন পরিস্থিতি কখনও দেখিনি৷ ’ তাঁর আর্ত আবেদন এই অবস্থায় নিজেরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন৷

    দেখে নিন ডক্টর গিলিডার সেই আবেগপূর্ণ ভিডিও৷

    ভিডিওতে চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা এবং চিকিৎসকরদের অসহায়তার বিবরণ দিয়ে ডক্টর গিলাডা বলেছেন ,‘‘গত এক বছরে যদি আপনার করোনা হয়নি তাহলে নিজেকে সুপার হিরো ভাববেন না, ভাববেন না আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দারুণ৷ এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা৷আমি ৩৫ বছরের যুবককে ভেন্টিলেটরে দেখছি৷ যাঁর অবস্থা খুবই খারাপ৷’’

    তিনি আরও জানিয়েছেন এর আগে কখনও এরকম দেখা যায়নি যেখানে একসঙ্গে এত লোকের তত্বাবধান করতে হচ্ছে৷ তিনি জানিয়েছেন প্রচুর মানুষকে বাড়িতে অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা করা হচ্ছে৷ যাঁরা ভ্যাকসিনের দু‘টি করে ডোজ পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে সংক্রমণের মাত্রা খানিকটা কম৷ তাঁদের হাসপাতালে প্রায় পাঠাতেই হচ্ছে না৷ এটা পরিষ্কার যে করোনা সংক্রমণ রুখতে ভ্যাকসিনের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ ’’

    সমস্ত চিকিৎসকদের হয়ে তিনি বার্তা দিয়েছেন এখন চিকিৎসকরা সকলেই  মানসিক ভাবে খুবই অস্বস্তির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন৷ তবুও তাঁরা কখনও না বলছেন না৷ তাঁর অনুরোধ নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন৷ প্যানিক হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনও দরকার নেই৷ কারণ কিছু লোক অনায্য বেড ভর্তি করে রাখায় যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন তাঁরাও বেড পাচ্ছেন না৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: