MP Corona Cases: একই জীবন্ত রুগীকে দু’বার মৃত ঘোষণা করল সরকারি হাসপাতাল!

MP Corona Cases: একই জীবন্ত রুগীকে দু’বার মৃত ঘোষণা করল সরকারি হাসপাতাল!

প্রতীকী চিত্র ।

একই জীবিত করোনা রোগীকে দু’বার মৃত ঘোষণা করা হল সরকারি হাসপাতালের তরফে । সরকারি হাসপাতালের বিশৃঙ্খলার ছবি প্রকট হয়ে উঠছে ক্রমশ ।

  • Share this:

    #ভোপাল: ভয়াবহতা মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে । সংবাদ মাধ্যমের পাতায় ছবি দেখে কেঁপে উঠছে বুক । দ্বিতীয় ঢেউয়ে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী করোনা, আরও অনেক বেশি মারাত্মক । বিগত সব রেকর্ড ভেঙে এখন প্রত্যেকদিন দেশে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ । হাসপাতালে বেড নেই, চিকিৎসক নেই, অক্সিজেনের অভাব, ভেন্টিলেটরের অভাব...বিনা চিকিৎসায় মানুষের মৃত্যু হচ্ছে । চারিদিকে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি ।

    এই অবস্থায় বারংবার সামনে আসছে হাসপাতালের গাফিলতির চিত্র । কোথাও রোগীর অক্সিজেনের নল খোলা, কাতরাতে কাতরাতে মৃত্যু হচ্ছে করোনা আক্রান্তের । কোথাও মৃত মানুষকে জীবিত, আবার জীবিত মানুষকে মৃত ঘোষণা করা হচ্ছে । কোথাও পরিজনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ভুল মৃতদেহ । গোটা দেশ জুড়ে এখন চরম বিশৃঙ্খলাময় পরিস্থিতি । এ বার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল মধ্যপ্রদেশের বিদিশা জেলায় ।

    সেখানেই একই জীবিত করোনা রোগীকে দু’বার মৃত ঘোষণা করা হল সরকারি হাসপাতালের তরফে । গত সোমবার গোরেলাল কোরি নামের এক ব্যক্তি ভর্তি হন অটল বিহারী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে । তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা অনুমান করেন তিনি করোনা আক্রান্ত । বুধবার তাঁকে ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয় । গোরেলালের ছেলে কৈলাস জানান, বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে ফোন করে তাঁদের জানানো হয়েছিল, রোগীর অবস্থা ভাল নয় । সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছন তিনি । হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, তাঁর বাবা মারা গিয়েছেন । এর কিছুক্ষণ পরেই হাসপাতালের নার্স এসে জানান, রোগী পুনরায় শ্বাস নিতে শুরু করেছেন । তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে ।

    পরে চিকিৎসক এসে রোগীকে দেখে জানান, খুব শীঘ্রই অস্ত্রোপচার করতে হবে । না হলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না । গোরেলালের পরিবারের তরফে সম্মতি দেওয়া হয় । অস্ত্রপচারের পর হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, অপারেশনের সময়ই মারা গিয়েছেন রোগী । তিনি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন । ফলে পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওযা যাবে না ।

    শুক্রবার সকালে গোরেলালের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে পরিবার । এর কিছুক্ষণের মধ্যে হাসপাতালের তরফে ফের জানানো হয় রোগী বেঁচে আছেন । তিনি ভেন্টিলেটরে রয়েছেন । সংবাদ মাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে কৈলাস বলেন, এ ভাবে রোগীর পরিবারকে নাজেহাল করার কোনও অধিকার নেই হাসপাতালের । দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন হাসপাতালের কর্মীরা ।

    গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ । হাসপাতালের ডিন ডঃ সুনীল নন্দেশ্বর বলেন, ভেন্টিলেটরে হার্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রোগীর । তখন নার্স তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন । কিন্তু এ ক্ষেত্রে অন্ত ১-২ ঘণ্টা সময় দেওয়া উচিত । চিকিৎসকরা এর মধ্যেই চিকিৎসা শুরু করে দেন এবং ফের শ্বাস নিতে শুরু করেন ওই রোগী । ফলে একটা ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হয় ।

    Published by:Simli Raha
    First published: