• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • বাড়ছে উদ্বেগ! বর্ধমান শহরের একটা বড় অংশে সাত দিনের লকডাউন শুরু

বাড়ছে উদ্বেগ! বর্ধমান শহরের একটা বড় অংশে সাত দিনের লকডাউন শুরু

লকডাউন ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

লকডাউন ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

লকডাউন ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরের একটা অংশে শনিবার থেকে পুরোপুরি লকডাউন শুরু হয়ে গেল। আপাতত টানা সাতদিন এই লকডাউন চালানো হবে। করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই লকডাউনের কর্মসূচি বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর, ছোট নীলপুর এলাকায় পুরোপুরি লকডাউন পালিত হচ্ছে। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, বর্ধমান শহরের ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছুটা এলাকা জুড়ে এই লকডাউন পালন করা হচ্ছে। এই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে লকডাউন পালন করা হচ্ছে। যথাযথভাবে লকডাউন করতে পুলিশকে বিশেষভাবে সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে। লকডাউন ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

বর্ধমান শহরে উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই এই শহরে প্রায় তিরিশ জন বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের বেশির ভাগই বড়নীলপুর, ছোট নীলপুর এলাকার বাসিন্দা। সেই কারণেই এই এলাকাগুলোকে পুরোপুরি লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। শুক্রবার রাতেই এ ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করে জেলা প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকেই পুলিশি তৎপরতায় এই এলাকাগুলিতে লকডাউন চালানো হচ্ছে। ওষুধের দোকান ডাক্তারের চেম্বার ও অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ছাড়া বাকি সব দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছ।সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ রয়েছে। এই এলাকায় লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সমাবেশ করা যাবে না।

এর প্রভাব পড়েছে বর্ধমান শহরের বাকি অংশেও। অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন শহরের রাস্তাঘাটে লোক চলাচল কম ছিল। যানবাহন তুলনামূলকভাবে কম চলেছে। শহরে করোনা সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই নিজেদের যথাসম্ভব গৃহবন্দি রাখার পরিকল্পনা নিয়েছেন। বয়স্ক শিশু-কিশোর বা মহিলাদের সেভাবে রাস্তায় বের হতে দেখা যায়নি। যাঁরা বের হচ্ছেন তাঁরা মুখে মাস্ক বেঁধে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাইরের কাজ সাড়ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাসিন্দাদের সচেতন করতে ফের রাস্তার মোড়ে মোড়ে মাইক বেঁধে প্রচার চালানো হচ্ছে। শহরে রাস্তায় পা দিলেই মাস্ক বা ফেস কভারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাপারে নজরদারি বাড়াতে জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: