করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ফের কঠোরভাবে পুরোপুরি লকডাউন হোক বর্ধমানে, চাইছেন বাসিন্দারাই

ফের কঠোরভাবে পুরোপুরি লকডাউন হোক বর্ধমানে, চাইছেন বাসিন্দারাই

বাসিন্দাদের মতে, এভাবে লকডাউন করে তেমন কোনও সুরাহা মিলবে না। তার চেয়ে পুরোপুরি লকডাউন এই মুহূর্তে বিশেষ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: সংক্রমণ বেড়ে চলায় বর্ধমান শহর সাতদিনের জন্য পুরোপুরি লকডাউন করার পক্ষেই অধিকাংশ বাসিন্দা। তাঁরা বলছেন, যেভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে তাতে একটানা লকডাউন জরুরি। কমপক্ষে সাত দিন লকডাউন করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা উচিত বলে মনে করছেন অনেকে। বর্ধমান শহর লকডাউন করার কথা ভাবনা চিন্তার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসনও। করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত শহরের ব্যবসায়ীরাও। তাঁরাও এখন দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন। গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন করে ন’জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় একটানা পুরোপুরি লকডাউন করার দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।

এখন পর্যন্ত বর্ধমান শহরের ৫২ জন পুরুষ-মহিলা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে গত সাত দিনে আক্রান্ত হয়েছেন বেশিরভাগ বাসিন্দা। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ছে। তাতেই আতঙ্কিত বাসিন্দাদের অনেকেই। তাঁরা বলছেন, বাজার দোকানপাট খোলা থাকায় ভিড় হচ্ছেই। অনেক ক্ষেত্রেই তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। অনেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না। এখনও মাস্ক বা ফেস কভারে মুখ ঢাকতে অনেকের অনীহা রয়েছে। বাজারের ভিড় থেকে করোনা সংক্রমণ দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে লকডাউন রাউন্ড জরুরি।

এমনিতেই বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর, ছোটনীলপুর, লোকো এলাকার একটা বড় অংশে পুরোপুরি লকডাউন চলছে। খোসবাগান এলাকাকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে লকডাউন চালানো হচ্ছে। এছাড়াও শহরের বেশিরভাগ সবজি ও মাছ বাজার খোলা রাখার সময়সীমা অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। শহরের বি সি রোড, বড়বাজার, সোনাপট্টি, চাঁদনিচক সহ পুলিশ লাইন, বিবেকানন্দ কলেজ মোড় সহ বেশিরভাগ জনবহুল এলাকাগুলিতেই অর্ধেক দোকানপাট বন্ধ রাখা হচ্ছে।

এর ওপর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। শহরের সচেতন বাসিন্দা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা সকলেই বলছেন এভাবে লকডাউন করে তেমন কোনও সুরাহা মিলবে না। তার চেয়ে পুরোপুরি লকডাউন এই মুহূর্তে বিশেষ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

Published by: Simli Raha
First published: July 21, 2020, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर