করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বর্ধমানে, তবুও শহরের রাস্তায় থিকথিক করছে ভিড়

গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বর্ধমানে, তবুও শহরের রাস্তায় থিকথিক করছে ভিড়

এ ভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বাজারে ভিড় বাড়তে থাকলে গোষ্ঠী সংক্রমণ আরও ব্যাপক আকার নেবে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: লকডাউন হবে কি হবে না তা নিয়ে দোলাচলে ছিলেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। কারণ বুধবারের পর বৃহস্পতিবার থেকে একটানা সাতদিন জেলার অন্যান্য কিছু অংশের সঙ্গে বর্ধমান শহরে লকডাউন  হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন জেলাশাসক বিজয় ভারতী। তবে আপাতত সেই লকডাউন থেকে পিছিয়ে এসেছে জেলা প্রশাসন। রাজ্যের ঘোষিত দিনগুলির বাইরে এখনই জেলায় লকডাউনের কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। লকডাউন হচ্ছে না জানতে পেরেই নানান কাজে শহরে বেরিয়ে পড়েছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। আর তাতেই সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গতকাল লকডাউনে ঘরের বাইরে পা দেননি অনেকেই। এ দিন একেবারেই তার উলটো ছবি। এ দিন শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট চত্ত্বর, বিসিরোড, বীরহাটা, পুলিশ লাইন বাজার এলাকায় থিকথিকে ভিড় ছিল। বর্ধমানে যে এখন করোনার সংক্রমণ ব্যাপক আকার নিয়েছে তা এই ভিড় দেখে বোঝার উপায় নেই।  শহর জুড়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে। সে ব্যাপারে একমত জেলা প্রশাসনও। বৃহস্পতিবার শহরের বাজার এলাকাগুলিতে বাসিন্দাদের ভিড় দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বাজারে ভিড় বাড়তে থাকলে গোষ্ঠী সংক্রমণ আরও ব্যাপক আকার নেবে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে শহরে করোনা পরীক্ষা বাড়ানো হচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এ দিন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। তারমধ্যে পনের জনই এই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা। গত পনের দিনে মৃত্যু হয়েছে তাদের। শুধু তাই নয়, গত পনের দিনে এই শহরে  দুশো জনের বেশি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গতকালই এই শহরে আক্রান্ত হয়ে দুজন মারা গিয়েছেন। তার পরেও কোনওরকম হুঁশ নেই বাসিন্দাদের অনেকেরই। সামান্য প্রয়োজনেই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন। দীর্ঘক্ষণ বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আর তা থেকেই করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, শহরজুড়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে।  বাজারে অনেকেই হয়তো নিজেদের অজান্তেই করোনার সংক্রমণ নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন। তাই এখন বাড়ির বাইরে সময় কাটানো মানে করোনার সংক্রমণকে সঙ্গী করে বাড়ি ফেরা। তা থেকে নিজে তো বটেই, বাড়ির অন্যান্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই এই সময় যত বেশি সম্ভব ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

Published by: Simli Raha
First published: August 6, 2020, 12:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर