corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোভিড যোদ্ধাদের জন্য কুটির সুরক্ষা পল্লীমঙ্গল সমিতির

কোভিড যোদ্ধাদের জন্য কুটির সুরক্ষা পল্লীমঙ্গল সমিতির

করোনার দাপটে সাধারণ মানুষ বেসামাল। অনেকেই মাসের পর মাস গৃহবন্দি।

  • Share this:

পূর্ব বর্ধমান: করোনা যোদ্ধাদের জন্য কুটির সুরক্ষা নিয়ে এলো পূর্ব বর্ধমানের পাল্লা রোডের পল্লীমঙ্গল সমিতি। মাস্ক স্যানিটাইজার ছাড়াও তাতে থাকছে অক্সিজিন সিলেন্ডার,পালস অক্সিমিটার সহ পিপিই,সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড,গ্লাভস সবকিছুই। করোনা পরিস্থিতিতে  দিন রাত এক করে মাসের পর মাস ঘরের বাইরে কাজ করে চলেছেন পুলিশ কর্মী আধিকারিকরা। ফলে তাদের অনেকেই করোনায় আক্রান্তও হচ্ছেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য করোনা মোকাবিলায় সব রকম সামগ্রী দিয়ে প্যাকেট তৈরি করেছে পাল্লা রোডের পল্লীমঙ্গল সমিতির সদস্যরা। প্রতিমাসে সব থানায় একটি করে এই প্যাকেট পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তারা।

করোনার দাপটে সাধারণ মানুষ বেসামাল। অনেকেই মাসের পর মাস গৃহবন্দি। বয়স্ক বা শিশুদের ঘরের বাইরে সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। যথাসম্ভব ঘরে থাকছেন মহিলারাও। তবে কাজের প্রয়োজনে পুরুষ মহিলা সবাইকেই সংক্রমণের আশংকাকে সঙ্গী করে বের হতে হচ্ছে। তার বাইরে কোভিড যোদ্ধারা লড়ে যাচ্ছেন সামনের সাড়িতে দাঁড়িয়ে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত  কাজে অটল পুলিশ কর্মী অফিসাররা। তাঁদের সম্মান জানাতে একটি নতুন প্রকল্প নিয়ে এলো পল্লীমঙ্গল সমিতি। নাম কুটির সুরক্ষা। এর আগে এই সংস্থা এলাকার দরিদ্র বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট পৌঁছে দিয়েছিল। চালু করেছিল বিনা পয়সার হাট। সেই হাট থেকে বাসিন্দারা যে যার প্রয়োজন মতো চাল, ডাল, মুড়ি নিখরচায় ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে গিয়েছেন। বহু বাসিন্দার হাতে মাস্ক, স্যানিটাইজার তুলে দিয়েছে তারা।

পাল্লা রোড পল্লীমঙ্গল সমিতির সম্পাদক সন্দীপন সরকার বলেন, বাজারে এখন হ্যান্ড স্যানেটাইজার বা মাস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু  রোগীর আপতকালীন দরকারের অক্সিজেন সিলেন্ডার কিংবা তাঁর শারীরিক অবস্থা বোঝার জন্য প্রয়োজনীয় সঠিক পালস অক্সিমিটার এখনও অনেকাংশেই অমিল। তাই এখন এই দিকটির ওপর জোর দিচ্ছি আমরা। তিনি জানান, এই মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ব্যাস্থ্য বিভাগের সাথে সাথে লড়ছে পুলিশও। করোনা আক্রান্তকে  বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে করোনায় মৃত ব্যক্তির সৎকারের ব্যবস্থা সবই করতে হচ্ছে পুলিশকে। সম্প্রতি মেমারির পালশিট পুলিশ ক্যাম্পের নজন পুলিশ কর্মী একসাথে করোনা আক্রান্ত হন। ওই ঘটনা আমাদের নতুন করে ভাবতে সাহায্য করে। তারই ফলশ্রুতি এই প্রকল্প।এর মাধ্যমে আমরা প্রতি মাসে পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রতিটি থানায় একটি করে প্যাকেট পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। তাতে থাকছে ছয় লিটারের দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডা ,পালস অক্সিমিটার সহ পিপিই,মাস্ক,স্যানিটাইজার, সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড,গ্লাভস।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: August 18, 2020, 3:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर