corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুম্বই হতে চায় না কলকাতা, বস্তিতে লকডাউন সফল করতে খিচুড়ি, সবজি-পুরি বিতরণ

মুম্বই হতে চায় না কলকাতা, বস্তিতে লকডাউন সফল করতে খিচুড়ি, সবজি-পুরি বিতরণ

করোনা লড়াই একদিন না একদিন হয়তো থামবে। তবে স্বাধীনতার এতগুলো বছর পর সামাজিক প্রশাসন প্রাপ্তি এটাও কি কম পাওয়া!

  • Share this:

ARNAB HAZRA

#‌কলকাতা:‌ করোনা যুদ্ধে মুম্বই হতে চায় না কলকাতা। ঘিঞ্জি এলাকায় লকডাউন সফল করতে খিচুড়ি, সবজি-পুরি পৌঁছে দিলেন কাউন্সিলর। দেশের করোনা যুদ্ধে বেশ কয়েক গুণ উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে মুম্বইয়ের ধারাভির ঘটনা। শত শত ঝুপড়ির ভরকেন্দ্র ধারাভিতে কীভাবে পৌঁছালো করোনা, তাই এখন চিন্তার। মুম্বইয়ের মতো কলকাতাতেও একাধিক ঘিঞ্জি এলাকা রয়েছে। সেই সমস্ত জায়গায় করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ থাবা বসালে পরিস্থিতি হতে পারে ভয়ঙ্কর। মুম্বইয়ের পরিস্থিতি যেন কোনও ভাবেই কলকাতায় না ফেরে, তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে আমাদের রাজ্য।

রেশন কার্ড থাকুক না থাকুক প্রত্যেককে চাল, ডাল, আলু এবং জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য সরকার। সেই মোতাবেক কলকাতা পুরসভার প্রতি ওয়ার্ডে জরুরি জিনিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মুম্বইয়ের ধারাভির ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিন্দ্য কিশোর রাউত। আগামী ২ সপ্তাহ লকডাউন পুরোপুরি সফল করতে না পারলে করোনাকে রোখা দূর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। এই অবস্থায় ঠান্ডা ঘরে না বসে থেকে কোমর বেঁধেছেন অনিন্দ্য কিশোর রাউত। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিদিন ৬০০ মানুষের মুখে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।

দুপুরে খিচুড়ি, হালকা সবজি থাকছে পাতে। বিকেলে মেনুতে সবজি ও পুরি। কাউন্সিলর অনিন্দ্য কিশোর রাউত আবার কলকাতা পুরসভার ৩ নং বরোর চেয়ারম্যান। ৩নং বরো অঞ্চলেই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল, আর জি কর হাসপাতাল। অনিন্দ্য কিশোর রাউতের কথায়, "সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি চাল, ডাল তো পৌঁছে দিচ্ছি। আমার বরো অঞ্চলে একাধিক ঘিঞ্জি এলাকা রয়েছে। এইসব জায়গায় গাদাগাদি করে থাকা অনেক মানুষের বাস। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী আগামী দুই সপ্তাহ লকডাউন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই সপ্তাহ ঘিঞ্জি এলাকার মানুষ যাতে কোনও ভাবেই বাড়ির বাইরে না বেরোয় তাই তাঁদের খাবার সুনিশ্চিত করতে খিচুড়ি বিতরণ। সন্ধ্যে নামার আগে পৌঁছে দিচ্ছি সবজি পুরি।"

করোনা অজান্তেই আামাদের সকলকে একজোট করে দিয়েছে। তাই শহরের এমন টুকরো টুকরো চিত্র সব ওয়ার্ড  দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় বিধান সরণীতে কিছু স্বেচ্ছাসেবকদের দেখা গেল পথশিশুদের খাবার পরিবেশন করতে। করোনা লড়াই একদিন না একদিন হয়তো থামবে। তবে স্বাধীনতার এতগুলো বছর পর সামাজিক প্রশাসন প্রাপ্তি এটাও কি কম পাওয়া! বিশিষ্ট চিকিৎসক কুণাল সরকার বলছেন, ‘‘আমরা দেশে মূলত রাজনৈতিক প্রশাসন দেখে থাকি, করোনা সেই প্রশাসনিক চেহারার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে।’’

Published by: Simli Raha
First published: April 2, 2020, 3:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर