corona virus btn
corona virus btn
Loading

কালবৈশাখীতে রাস্তায় হাঁটুজল! এ ছবি বহু বছর দেখেনি কলকাতা

কালবৈশাখীতে রাস্তায় হাঁটুজল! এ ছবি বহু বছর দেখেনি কলকাতা
মধ্যরাতের বৃষ্টিতে হাঁটুজল ঠনঠনিয়ায়।

আজ সকাল থেকে জল সরানোর কাজে কলকাতা কর্পোরেশনের কাউকে দেখা যায় নি।স্থানীয় মানুষদের এই বিষয় নিয়ে মাথা ব্যথার কোনো লক্ষণ চোখে পড়ে নি।সবাই বলছেন,অপেক্ষাতেই ফুল ফুটছে।

  • Share this:

#কলকাতা: এই বৈশাখে সকাল হোক বা বিকেলে ,ঝড় বৃষ্টি হচ্ছেই। এ বঙ্গের মানুষ বহু বছর যাবৎ বৈশাখে এমন নিয়মিত কালবৈশাখীর দেখা পায়নি। গায়ে এসে লাগেনি বৈশাখি বৃষ্টর ছাঁটও। সেই অভাব মিটিয়ে দিচ্ছে এই বৈশাখ। বুধবার মধ্যরাতের বৃষ্টিতে রীতিমতো জুড়িয়ে গেল শহরের প্রাণ। জল দাঁড়িয়ে গেল বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায়।

বুধবার ভোর চারটে থেকে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭১ কিলোমিটার। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল বৃষ্টি। ঝড়ে শহরে বেশ কিছু জায়গায় গাছ পড়ে যায়। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রোডে গাছ পড়ে রাস্তা আটকে যায়। কর্পোরেশন থেকে কর্মীরা এসে ওই গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করে। বৃষ্টিতে কলকাতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলের তলায় চলে যায। তার মধ্যে ছিল মহাত্মা গান্ধী রোড মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট, বিধান সরণী, শিয়ালদহ ,সেন্ট্রাল এভিনিউ ইত্যাদি রাস্তাগুলি।

বিধান সরণির এক বাসিন্দা রাজু গুপ্তর কথায়, ঠআমার ৫৬ বছর বয়স। ছোট্ট বেলায় নিয়মিত কালবৈশাখী দেখেছিলাম। আবার সেই রকমটাই দেখছি যেন।"

প্রতি বছর এই সময়টা রোদে ভিজে, ঘামে স্নান করে অস্বস্তিতে থাকেন শহরের নাগরিকরা। এবার যেন উলাটপূরাণ। শরীরে ঘাম হচ্ছে না। রৌদ্রের প্রখরতা নেই।বৈশাখ মাসের এক দুদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে কালবৈশাখী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,প্রতি বছর বজ্রপাতে যত মানুষের মৃত্যু হয় ,এবার সেই সংখাটাও অনেকটাই কমবে। তারও একটাই কারণ, দূষণমুক্ত প্রকৃতি। লকডাইন বহু কিছু কেড়ে নিলেও প্রকৃতি ঢেলে সাজিয়েছে নিজেকে। বহু বছর পরে কলকাতায় হারিয়ে যাওয়া পাখিদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে।

আজ সকাল থেকে জল সরানোর কাজে কলকাতা কর্পোরেশনের কাউকে দেখা যায় নি।স্থানীয় মানুষদের এই বিষয় নিয়ে মাথা ব্যথার কোনো লক্ষণ চোখে পড়ে নি।সবাই বলছেন,অপেক্ষাতেই ফুল ফুটছে।

First published: May 6, 2020, 11:38 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर