corona virus btn
corona virus btn
Loading

Lockdown| খিদের জ্বালায় শেষমেশ ইট বইছে পথশিশুরা, খোদ কলকাতায়

Lockdown| খিদের জ্বালায় শেষমেশ ইট বইছে পথশিশুরা, খোদ কলকাতায়
লকডাউনে খিদের জ্বালায় ইট বইছে কলকাতার পথশিশুরা

আবার কোন শিশু,এই কাঠ ফাটা রোদে ফুটপাথের ওপর বসে রাস্তার দিকে তাকিয়ে। একটা গাড়ি এলেই দৌড়ে যাচ্ছে। কেউ হয়তো দয়া করে পয়সা দিচ্ছে ,কেউ বা দিচ্ছে না।

  • Share this:

#কলকাতা: শৈশব চুরি হয়ে যাচ্ছে। দাঁড়িয়ে দেখছে সবাই৷ প্রতিকার কোথায়? শৈশব বলতে একেবারে শিশুদের কথাই বলছি। বয়স ৫-১২ বছর।  সারা বিশ্ব যখন অসহায় ,কোনও ভাবেই করোনা রোগের ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে না, সে সময় লকডাউনই ভরসা। আর সেই লকডাউনেই  হারিয়ে যাচ্ছে পথশিশুদের শৈশব।  কলকাতা শহরের রাস্তায় কোন ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়ালে ,গাড়ির কাচের ওপার থেকে একটা নরম হাত কাচের উপর এসে পড়ে।

কলকাতায় ইট বইছে পথশিশু কলকাতায় ইট বইছে পথশিশু

খানিক বিহ্বল দৃষ্টিতে, আর কাতর স্বরে বলে- আমি কিছু খাব, কিছু দাও। এ দৃশ্যের সঙ্গে আমরা প্রতিদিন এতটাই পরিচিত যে, ওই আবেদন আমাদের কাছে আর নতুন করে অনুভূতি তৈরি করে না। সরকার আসে ,সরকার যায়, ফুটপাথে পড়ে থাকা কুঁড়িগুলো অকালে হারিয়ে যায়।  শহরের ফুটপা প্রচুর মা' কিংবা বাবা-মা রয়েছেন, যারা দু'বেলা ভিক্ষা করে রোজগার করে। কোনও ভাবে হাঁটতে পারলেই সেই শিশুরা দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রাফিক সিগনালে। কাকুতি মিনতি করে যতটুকু পাওয়া যায় ,তাতে ওদের মোটামুটি পেটের খাবার হয়ে -যায়।

লকডাউন এরপর থেকে শহরে গাড়ির সংখ্যা একেবারেই কমে গিয়েছে। অতএব ওই শিশুদের রোজগার বলে কিছু নেই আর। অগত্যা মায়ের সঙ্গে মাথায় করে ইট বয়ে দিচ্ছে। যদি একটু বেশি খাবার জোটে ! আবার কোন শিশু,এই কাঠ ফাটা রোদে ফুটপাথের ওপর বসে রাস্তার দিকে তাকিয়ে। একটা গাড়ি এলেই দৌড়ে যাচ্ছে। কেউ হয়তো দয়া করে পয়সা দিচ্ছে ,কেউ বা দিচ্ছে না।

ভিক্ষে করে পেট ভরছে না ভিক্ষে করে পেট ভরছে না

গাড়ির কাচ খোলে না,কা রণ এই শিশুগুলোর মাধ্যমে যদি করোনা সংক্রমিত হয়! তাই বেশিরভাগ গাড়ি কাচ আর নামাচ্ছে না। কোনও সময় কেউ খাবার দিতে এলে খাচ্ছে। নইলে আধপেটা, খালি পেটে দিন কাটাচ্ছে।

অনেকেই মনে করছেন, এই পরিস্থিতি পথশিশুদের আস্তে আস্তে মানসিকভাবে কঠিন করে তুলবে। যার পরিণতি হতে পারে অপরাধের মানসিকতা। সমাজের ঘৃণা ও বেঁচে থাকার জন্য লড়াই ,এই দুই মিলে এদের করে তুলতে পারে হিংস্র।

কিছু এনজিও বা কর্পোরেশনের স্কুলে এদের পড়ানোর ব্যবস্থা আছে। এই মুহূর্তে সবই বন্ধ। ঠিকানা পথের ধার।  এই লকডাউনের সময়ে বহু মানুষ বহু সংস্থা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য। কেউ কিন্তু একবারও ভেবে দেখেনি, এই শিশুরা কী ভাবে বাঁচবে। কী ভাবে বড় হবে?

SANKU SANTRA

Published by: Bangla Editor
First published: May 11, 2020, 6:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर