corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে যাদবপুরকে হারিয়ে সবচেয়ে বেশি 'সবুজ' বিধাননগর ও ফোর্ট উইলিয়াম 

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে যাদবপুরকে হারিয়ে সবচেয়ে বেশি 'সবুজ' বিধাননগর ও ফোর্ট উইলিয়াম 
Representational Image

পরিবেশবিদদের ব্যাখ্যা একে শনিবার ৷ তার উপর ভোর থেকে পুরোপুরি বন্ধ গাড়ি চলাচল। ফলে ডিজেল থেকে দূষণ ছড়ানোর আশঙ্কা প্রায় নেই বললেই চলে।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে শহরের সবচেয়ে নির্মল জায়গা হল ফোর্ট উইলিয়াম ও সল্টলেক। বায়ু দূষণের পরিমাপের ভিত্তিতে প্রতি ঘনমিটারে ২৯ মাইক্রোগ্রামের নীচেই ঘোরাফেরা করল যাদবপুরের দূষণ সূচক। পরিবেশবিদদের ব্যাখ্যা কড়া লকডাউন, অন্যদিকে দিনভর বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশ কলকাতার দূষণ ফের এক ধাক্কায় ‘সবুজ’ করে দিল।

শহর কলকাতার সাত জায়গায় বায়ূ দূষণ পরিমাপের মিটার বসানো আছে। ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী এই সাত জায়গায় বায়ু দূষণের পরিমাপ করতে গিয়ে দেখা গেছে কোথাও দূষণের চেহারা ‘সবুজ’ হাতছাড়া করেনি। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, কলকাতার ফুসফুসের একটা অংশ। সেখানে সকাল ৭টায় বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণা পিএম ২.৫ ছিল ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ৮টায় ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ৯ টায় ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ১০ টায় ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। শহরের হৃদপিন্ড যেখানে অর্থাৎ ময়দান চত্বর। সেখানে ফোর্ট উইলিয়ামের মিটার বলছে, সকাল ৭টায় মাত্রা ছিল ২৯ মাইক্রোগ্রাম, সকাল ৮টায় মাত্রা ছিল ২৯ মাইক্রোগ্রাম, সকাল ৯টায় ছিল ২৯ মাইক্রোগ্রাম ও সকাল ১০টায় ছিল ২৯ মাইক্রোগ্রাম।

এবার দক্ষিণের শ্বাস নেওয়ার জায়গা রবীন্দ্র সরোবর। সেখানে সকাল ৭টায় ছিল ৩৯ মাইক্রোগ্রাম, সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টায় ছিল ৪১ মাইক্রোগ্রাম। বালিগঞ্জ এলাকায়, সকাল ৭টায় ছিল ৩০ মাইক্রোগ্রাম, সকাল ৮টা ও সকাল ৯টায় ছিল ৩০ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ১০টায় ছিল ৩০ মাইক্রোগ্রাম।

এবার হচ্ছে যাদবপুরের মাপ। সেখানে সকাল ৭টায় ছিল ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ৮টা ও সকাল ৯টায় ছিল ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ১০টায় ছিল ফের ৩৭ মাইক্রোগ্রাম। উত্তরের মাপ নিতে গিয়ে দেখা গেল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের পরিমাপ। সকাল ৭টায় ছিল ৭৭ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ৮টা ও সকাল ৯টায় ৭৬ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ১০টায় ছিল ৭৬ মাইক্রোগ্রাম। এবার বিধাননগর চত্বর। সকাল ৭টায় ছিল ২৮ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ৮ ও সকাল ৯টায় ছিল ২৮ মাইক্রোগ্রাম। সকাল ১০টায় ছিল ২৮ মাইক্রোগ্রাম।

পরিবেশবিদদের ব্যাখ্যা একে শনিবার ৷ তার উপর ভোর থেকে পুরোপুরি বন্ধ গাড়ি চলাচল। ফলে ডিজেল থেকে দূষণ ছড়ানোর আশঙ্কা প্রায় নেই বললেই চলে। রাস্তায় লোক একদমই কম বেরোচ্ছেন। সমস্ত অফিস বন্ধ। রাস্তার খাবার দোকানের উনুন জ্বলছে না। ফলে দূষণ যা যা থেকে ছড়ায় তার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি তার জেরে সকাল থেকে ঝকঝকে আকাশ। মহানগরে দূষণ একেবারেই নেই। পরিবেশবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন ধাপে ধাপে এমন লকডাউন ও আবহাওয়া থাকলে আরও সতেজ ও সুস্থ হবে শহরের চেহারা।

আবীর ঘোষাল

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 25, 2020, 9:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर